খালেদা জিয়া আইএইচএফ কাপে নেপালকে উড়িয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের উড়ন্ত সূচনা
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->লক্ষ্য ফাইনালে খেলা। লক্ষ্য পূরণ করতে হলে চাই লিগ পর্বে ভালো করা। বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে স্বাগতিক বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেপাল। জয় দিয়ে আসর শুরু করতে পারলে লক্ষ্য পূরণের মনোবল অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু প্রতিপক্ষ নেপাল হওয়াতে সেখানে কিছুটা শঙ্কা ছিল। সেই লঙ্কা ছিল নেপালের সঙ্গে আগের দুইবারের সাক্ষাতে হেরে যাওয়া।
অবশ্য সেই শঙ্কা কাটিয়ে জয়ের বাসনাই ছিল আলপনা আক্তারদের। তাদের সেই বাসনায় আবার তালিম দিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ আনা আলোনসো ফ্রাগুয়ার। প্রস্তুতিও ছিল বেশ লম্বা। সময়ের হিসেবে প্রায় তিন মাস। সব কিছুর সফল বাস্তবায়ন হয়েছে জয় দিয়ে। শুধু জয় নয়। নেপালকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে। জয়ী হয়েছে ৩৩-২০ গোলের বড় ব্যবধানে। প্রথমার্ধে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা এগিয়ে ছিল ১৩-৯ গোলে। এই জয়ে বাংলাদেশ ফাইনালে খেলার পথ মসৃণ করে রাখল।
পল্টনে ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে চার জাতির এই আসরে প্রথমার্ধে নেপাল বেশ ভালোই লড়াই করে। যে কারণে গোলের ব্যবধানও ছিল কম ১৩-৯। এর কারণও ছিল। ম্যাচের শুরুতেই সাকিবা জান্নাত সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে বাংলাদেশকে একজন কম নিয়েই খেলতে হয়েছিল। ধীরে ধীরা সে ঘাটতি পুষিয়ে উঠেন। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের তেজোদ্দীপ্ত লড়াইয়ে ব্যবধান শুধু বেড়েছে।
বাংলাদেশের এ রকম বড় জয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল আল্পনা আক্তারের। তিনি একাই করেন ৭ গোল। পরে হন ম্যাচসেরা। অবদান কম ছিল না মিষ্টি খাতুন ও শ্যামলি মিংয়ের। দুজনেই করেন ৬টি করে গোল। অধিনায়ক ইসমেতারা নিশি করেন ৫ গোল। ৪ গোল করেন সায়মা জান্নাত সীমা। এ ছাড়া মাসুদা আক্তার ২টি এবং পূর্ণিমা রানি, অনুরাধা পাহান ও তাসনিয়া রহমান আরশা করেন ১টি করে গোল।
ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা আল্পনা আক্তার ২০১৯ সালে নেপালের কাছে সর্বশেষ হারা ম্যাচেও খেলেছিলেন। সেই ক্ষত তিনি ভুলতে পারেননি। যা ফুটে উঠেছে তার কথায়। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতার পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘উনিশে আমরা একবার নেপালের কাছে হেরেছিলাম, ওই ক্ষোভটা আমার মনের মধ্যে ছিল। মনে মনে ভেবেছিলাম, আজকে আমরা জিতব, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর রহমতে তাই হয়েছে। আমরা জিততে পেরেছি।’
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ। ভারত তাদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে এককথায় উড়িয়ে দিয়েছে। জয় পেয়েছে ৪০-৮ গোলের বিশাল ব্যবধানে।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘এমন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরের আয়োজক হওয়া বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পারস্পরিক আঞ্চলিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন নতুন মাত্রায় পৌঁছে যাবে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তরুণ সমাজকে গতিশীল করার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে সার্বক্ষণিক নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের নারী ক্রীড়াবিদদের অধ্যবসায় ও নৈপুণ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।’
পলাশ/এএফ
আরও পড়ুন
টি-টোয়েন্টির নতুন অধিনায়ক নাহিদা
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
নাহিদা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত
-->বাংলাদেশের নারী টি-টেয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক হয়েছেন বাঁ হাতি নাহিদা আক্তার। আগামী এক বছর তিনি লাল-সবুজ দলের ঝান্ডা উড়াবেন। তার সঙ্গে সহঅধিনায়ক করা হয়েছে ব্যাটার সোবহানা মোস্তারিকে।
নাহিদা বাংলাদেশের পঞ্চম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। তার আগে এই দায়িত্ব পালন করেছেন সালমা খাতুন, জাহানারা আলম, রোমান আহমেদ ও নিগার সুলতানা জ্যোতি। নাহিদার আগে এই পদে ছিলেন নিগার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপে ব্যর্থতার পর তিনি এশিয়ান গেমসের পর টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়া নাহিদা ছিলেন নিগারের ডেপুটি। যে কারণে নিগার দায়িত্ব ছাড়ার পরই নতুন অধিনায়ক হিসেবে নাহিদার নামই ছিল সর্বাগ্রে।
রবিবার বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সেটিরই বাস্তবায়ন করেছে। নিগার টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব ছাড়লেও ওয়ানডেতে অধিনায়কত্ব করবেন। এর ফলে বাংলাদেশের নারী দল দুই সংস্করণে দুই অধিনায়কের যুগে প্রবেশ করল। নাহিদা-সোবহানা জুটির কাজ শুরু হবে আগামী মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি নারী ইমার্জিং নেশন্স ট্রফি দিয়ে। যেখানে ‘বি’ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে, থাইল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস।
২৬ ছুঁইছুঁই নাহিদা এখন পর্যন্ত ১১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের একমাত্র বোলার হিসেবে ১০০-এর ওপরে উইকেট নিয়েছেন। তার উইকেট সংখ্যা ১৩২টি। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি আছেন ১১ নম্বরে।
পলাশ/
আরও পড়ুন
ঢাকায় ইনফান্তিনো, তাবিথদের সঙ্গে আনন্দঘন সময়
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
ঢাকায় বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের(বামে) সাথে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত
-->মরক্কো সফর শেষে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। আজ (১৮ অক্টোবর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও ফেডারেশনের চার সহসভাপতি। এ সময় তাদের মধ্যে বেশ আনন্দঘন সময় কাটে।
বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধানের এই যাত্রাবিরতি অবশ্য আনুষ্ঠানিক ঢাকা সফর নয়। ভুটানে যাওয়ার পথে ট্রানজিটের অংশ হিসেবেই ঢাকায় বিমান বন্দরে ২ ঘণ্টা অবস্থান করেন ইনফান্তিনো।
ফিফা সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বাফুফে সভাপতি ও সহসভাপতিরা তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। আনন্দঘন পরিবেশে তাদের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি ২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধন উপলক্ষে মরক্কো সফর করেন ইনফান্তিনো। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও প্রথম ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এ সময় তাকে স্বাগত জানান মরক্কোর ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজাও।
মরক্কোর ফুটবলপ্রেম, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সক্ষমতা ও ফুটবলের প্রতি দেশটির মানুষের আবেগের প্রশংসা করেন ফিফা সভাপতি। তার মতে, ফুটবলের প্রতি মরক্কোর মানুষের ভালোবাসা শুধু স্টেডিয়ামেই সীমাবদ্ধ নয়; এর মাধ্যমে সহনশীলতা, সহাবস্থান ও শান্তির বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে।
২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজন করবে মরক্কো। বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের অভিজ্ঞতা ও ক আয়োজনের জন্য আরও প্রস্তুত করছে।
তোফায়েল/
আরও পড়ুন
জোড়া গোলের আনন্দের মাঝেই হালান্ডের চোটের শঙ্কা
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইপসউইচের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির জয়ের দিনে জোড়া গোল করেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু ম্যাচ শেষে তার খুঁড়িয়ে হাঁটা চিন্তা বাড়িয়েছে কোচ এনজো মারেসকার। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই নরওয়েজীয় তারকার চোট কতটা গুরুতর, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ইপসউইচ টাউনের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এই জয়ে জোড়া গোল করেছেন হালান্ড। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২-তে।
ম্যাচে প্রথমে ফিল ফোডেনের গোলে এগিয়ে যায় সিটি। পরে দাইজেন মায়েদা গোল করে সমতা ফেরান। এরপর হালান্ডের দুর্দান্ত দুই গোলে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকেরা।
তবে জয়ের আনন্দের মাঝেই দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা। ম্যাচের শেষ দিকে পায়ে আঘাত পান হালান্ড। শেষ বাঁশির পর তাকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। মাঠ ছাড়ার সময়ও অস্বস্তিতে ছিলেন এই স্ট্রাইকার।
হালান্ডের চোট নিয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। কোচ মারেসকাও অপেক্ষায় আছেন পরীক্ষার ফলের। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘দেখা যাক কী হয়। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। সে জানিয়েছে, সে ঠিক আছে। আশা করি, গুরুতর কিছু নয়।’
শুধু হালান্ড নন, ম্যাচে আরও কয়েকজন খেলোয়াড় চোট পেয়েছেন। মারেসকা জানান, অল্প সময়ের মধ্যে চার-পাঁচজন খেলোয়াড় আঘাত পেয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন মাথিউস নুনেস, মাতেও কোভাচিচ, আঁতোয়ান সেমেন্যো ও নিকো ও'রিলি। সবাই এখন চিকিৎসাধীন।
এমন পরিস্থিতিতে হালান্ডের সুস্থতা সিটির জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ। দলের গোলের প্রধান ভরসা হওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্বেও বড় ভূমিকা রাখছেন তিনি। মারেসকার ভাষায়, ‘তার পারফরম্যান্স চমৎকার। সে শুধু গোল করছে না, দলের অন্যতম নেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছে।’
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
চোয়ালের অস্ত্রোপচারের পর মার্তিনেসের বার্তা
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->এভারটনের বিপক্ষে ম্যাচে গুরুতর চোট পেয়ে চোয়ালে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসের। সফল অস্ত্রোপচারের কয়েক ঘণ্টা পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে মাঠে ফেরার ব্যাপারেও আশাবাদী বার্তা দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।
হাসপাতাল থেকে নিজের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান মার্তিনেস। বার্তার শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘আমরা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফিরছি।’
তার এই বার্তায় দ্রুত মাঠে ফেরার প্রত্যাশার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে মাঠে ফিরতে তাকে প্রায় দেড় মাসের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে। ফলে চেলসির আসন্ন ম্যাচগুলোর পাশাপাশি নভেম্বরের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক বিরতিতে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচেও তার খেলা অনিশ্চিত।
এভারটনের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ২০ মিনিটের দিকে ডিফেন্ডার জ্যারাড ব্রান্থওয়েটের সঙ্গে ধ্বাক্কায় গুরুতর চোট পান মার্তিনেস। প্রায় ১০ মিনিট মাঠে শুয়ে থাকার পর তাকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে তার ঘাড়, পিঠ ও মাথার খুলির সিটি স্ক্যানের ফল ইতিবাচক আসে। তবে পরীক্ষায় চোয়ালে ফ্র্যাকচার ধরা পড়ায় জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এখন তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ও মাঠে ফেরার প্রস্তুতিই মূল লক্ষ্য।
মার্তিনেসের সফল অস্ত্রোপচারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার পাশে দাঁড়িয়েছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্তিনেসের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।
বার্তায় তাপিয়া লিখেন, ‘আমার প্রিয় দিবু, তোমার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। মানসিকভাবেও শক্ত থেকো। দূর থেকেই তোমাকে জড়িয়ে ধরলাম। আমার কোনো সন্দেহ নেই, তুমি আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে। ভালো কিংবা খারাপ-সব সময়ই আমি তোমার পাশে আছি। তোমাকে অনেক ভালোবাসি, আমার ভাই।’
পাপ্পু/
