Published on
:
2 min read
এক বৃদ্ধাকে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁরই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। সোনার গয়না ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য ৭৯ বছর বয়সি মহিলাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। কেরালার ত্রিশূর এলাকার ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫৮ বছর বয়সি ওই অভিযুক্ত প্রতিবেশীকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম সাবিত্রী (৭৯)। তাঁকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে মহম্মদ রফি-কে। থ্রিপরায়ারের (Thriprayar) বাসিন্দা রফি ছিলেন সাবিত্রীর প্রতিবেশী। স্থানীয় পশু হাসপাতালের কাছে সাবিত্রীর ছেলের একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন রফি।
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আর্থিক সমস্যায় ছিলেন রফি। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাবিত্রীর কাছে তাঁর সোনার গয়না ধার চেয়েছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের ধারণা, গয়না দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে হত্যা করেছেন রফি।
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খুনের দিন রফি লক্ষ্য করেন যে, সাবিত্রীর স্বামী বিজয়নেকে হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর পুত্র সুমেশ এবং পুত্রবধূ গ্রীসামা। সেই সুযোগে, সোনার গয়না চুরি করতে ওই বাড়িতে ঢুকেছিলেন রফি। সেই সময়ে সোফায় বসেছিলেন সাবিত্রী। অভিযোগ, সাবিত্রীর যে শাড়ি পরেছিলেন তা দিয়েই তাঁর গলায় ফাঁস দেন রফি। এর পরে তাঁর দেহ টেনে নিয়ে যাওয়া হয় বেডরুমে। সাবিত্রীর মৃত্যু নিশ্চিত করতে রফি তাঁর মুখ বালিশ দিয়ে চাপা দেন বলেও অভিযোগ।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর পর রান্নাঘর থেকে লঙ্কা গুঁড়ো নিয়ে তা মৃতদেহের কাছাকাছি ছড়িয়ে দেন। তার পরেই স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান রফি। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে সাবিত্রীর দেহ দেখতে পান তাঁর নাতি। সে লক্ষ্য করে যে তার ঠাকুমার হাতের সোনার বালা, গলার চেন এবং আংটি নেই। পুলিশের দাবি, ওই বাড়ি থেকে প্রায় ১২৫ গ্রাম সোনার গয়না চুরি করেন রফি। এর বাজার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।
এর পরেই খুনের ঘটনার তদন্তের জন্য বিশেষ দল গঠন করা হয় বলে জানিয়েছেন ত্রিশূর গ্রামীণ এলাকার পুলিশ সুপার মহম্মদ নাদিম। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি পুলিশ কুকুরের সাহায্য নিয়ে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
