নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করতে এসে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণের পর ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এর আগে শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে গ্রামের একটি মাঠের কোণায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী তরুণী।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মঙ্গল মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন (২২), রুস্তম আলীর ছেলে হারুন মিয়া (২৭) ও এখলাস মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পুবাইল গ্রামের। তাঁর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে কেন্দুয়ার কাশিপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সম্পর্কের সূত্র ধরে শনিবার তিনি বিল্লালের বাড়িতে আসেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাতে বিল্লাল তাঁর দুই বন্ধুকে নিয়ে তরুণীকে গ্রামের একটি মাঠের নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হলে তিনি সেখান থেকে বের হয়ে কেন্দুয়া থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।
পরে তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
