চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে গলায় রশি ও গামছা পেঁচিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক খুনের ঘটনায় সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ধরতে বায়েজিদ থেকে হাটহাজারী পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করে পুলিশ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
১৫ অক্টোবর সন্ধ্যা থেকে ১৬ অক্টোবর রাত পর্যন্ত চৌধুরীহাট, সন্দ্বীপ কলোনি ও ঠাণ্ডাছড়িতে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ৭ অক্টোবর মোবাইল ফোনের সিমসহ রাসেল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঠাণ্ডাছড়ির আকতার হোসেনের গ্যারেজ থেকে অটোরিকশার তিনটি ব্যাটারি ও বডির অন্যান্য অংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ১ অক্টোবর বিকেল সোয়া ৫টার দিকে হাটহাজারীর খন্দকিয়া বাজারগামী ইটের সলিং রাস্তার পাশের একটি বিল থেকে অটোরিকশা চালক মো. আব্দুল নুর তুষার (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহের গলায় রশি ও গামছা প্যাঁচানো ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে হাটহাজারী পর্যন্ত দুই শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের চলাচলের পথ শনাক্ত করা হয়।
বায়েজিদ বোস্তামীর কুলগাঁওয়ে সাদ-মুছা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সামনে থেকে তুষারের অটোরিকশাটি ভাড়া নেয় আসামিরা। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে রশি ও গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে মরদেহ বিলে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। অটোরিকশাটি বিক্রির উদ্দেশ্যে ঠাণ্ডাছড়ি এলাকায় একটি ওয়ার্কশপে রাখা হয়।
ডিজে
