পরিদর্শনে বেরিয়ে রাস্তা দখল করে ব্যবসা করতে দেখে খেপে লাল বর্ধমানের জেলাশাসক! বুধবার কার্জন গেট থেকে বিসি রোড পরিদর্শনে গিয়ে ব্যবসায়ীদের কড়া ধমক দিয়ে জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল বলেন, ‘‘ইতনা জায়গা কিঁউ ছোর রহা হ্যায় ভাই! পুরা রাস্তা লেলো বিজনেস করনে কে লিয়ে। হাম লোগ ট্রাভেল নেহি করেঙ্গে?” রাস্তা দখল করে পাইকারি ব্যবসা চলতে দেখে এভাবেই ক্ষোভ উগরে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক।
প্রশাসন ও পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বিসি রোড পরিদর্শন বেরিয়েছিলেন জেলাশাসক। যত্রতত্র বাইক ও টোটো পার্কিং এবং রাস্তার অপরিচ্ছন্নতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘পার্কিংয়ের জায়গা দখল করে ব্যবসা করছেন। এতে বিসি রোডের অর্ধেক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। মানুষ যাবে কোথা দিয়ে? এখনই মালপত্র সরিয়ে নিন।”
বুধবার কার্জন গেট থেকে বিসি রোড পরিদর্শনে গিয়ে জেলাশাসক দেখেন, রাস্তার উপর সবজি ও ফলের পসরা সাজিয়ে বসেছে পাইকারি বাজার। দখল হয়ে গিয়েছে পার্কিংয়ের জন্য চিহ্নিত জায়গাও। ফলে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। পরিস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ জেলাশাসক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তা দখল করে ব্যবসা করা চলবে না। পার্কিংয়ের জায়গাও রাখতে হবে ফাঁকা। নিয়ম না মানলে জরিমানা করা হবে।
এদিন প্রশাসন ও পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বিসি রোড পরিদর্শন করেন জেলাশাসক। যত্রতত্র বাইক ও টোটো পার্কিং এবং রাস্তার অপরিচ্ছন্নতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘পার্কিংয়ের জায়গা দখল করে ব্যবসা করছেন। এতে বিসি রোডের অর্ধেক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। মানুষ যাবে কোথা দিয়ে? এখনই মালপত্র সরিয়ে নিন।” পুজোর আগে যানজট নিয়ন্ত্রণে তৎপর প্রশাসন। কয়েক দিন আগে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রও বিসি রোড পরিদর্শন করেছিলেন। জেলাশাসক পুরকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে কার্জন গেট-বিসি রোড এলাকায় ব্যবসা, পার্কিং ও আবর্জনা ফেলা নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। নির্দেশ অমান্য করলে জরিমানা শুরু করারও নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক।
