কুমিল্লা ব্রাক্ষণপাড়া সীমান্ত থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ১৪ ঘণ্টা পর বাংলাদেশি দুই পুলিশের সদস্যকে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
দুই পুলিশ সদস্য হলেন, ব্রাহ্মণপাড়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইমরান ও কনস্টেবল রোহিত।
বিজিবি জানায়, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্তবর্তী মেইন পিলারে কাছে বিজিবির সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এবং বিএসএফ ৪৯ ব্যাটালিয়নের মধ্যে কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার মাধ্যমে দুপুর দেড়টার দিকে দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ। পরবর্তীতে দুপুর পৌনে ২টার দিকে দুজনকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ী সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে অভিযানে যায় পুলিশ সদস্যরা। এ সময় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় নতুন যোগদান করা কনস্টেবল রোহিত পথ চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করতে থাকে।
স্থানীয়রা জানায়, এক পর্যায়ে ওই কনস্টেবলকে ভারতীয় সীমান্ত এলাকার মাদক কারবারি ও তার সহযোগীরা আটক করে। পরে তাকে আটক করে বিএসএফ। কনস্টেবল রোহিতকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে এএসআই ইমরানকেও আটক করে তারা।
হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)’র শশীদল বিওপির কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলাম, এএসসি; দেবিদ্বার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিন; ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন এবং শশীদল বিওপির কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ তাকবীর হোসেন।
তবে তারা কীভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
