পাশাপাশি নয়াদিল্লি ও আশপাশের এলাকায় মোতায়েন হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য ।
দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করে চার বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আজও বিক্ষোভে নামতে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচরা। তবে কর্মসূচির অনুমোদন দেয়নি দিল্লি পুলিশ। আগামী দুইদিনের জন্য সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছে ‘নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল’।
পাশাপাশি নয়াদিল্লি ও আশপাশের এলাকায় মোতায়েন হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য ।
কনট প্লেসের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা পালিকা বাজারের সামনে একাধিক বাস রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংসদ মার্গ ও টলস্টয় রোডের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ধরনের প্রায় ১৬টি বাস দেখা গেছে।
গত সপ্তাহেও সিজেপির একই ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কনট প্লেসে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে সিজেপি। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দলটির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। শুক্রবারের এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’।
বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে যন্তর মন্তরকে বাদ দেওয়ার পর সিজেপি কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে সমাবেশের ডাক দিয়েছে। এতে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেত্রী নেহা বোরা এবং আম আদমি পার্টিও অংশ নেবে বলে জানা গেছে।
নতুন কর্মসূচিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার দিল্লি পুলিশ সাধারণ মানুষকে সেন্ট্রাল পার্কে জমায়েত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, নয়াদিল্লি পৌর পরিষদ (এনডিএমসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সিজেপির মিছিলের পরিপ্রেক্ষিতে ‘প্রশাসনিক কারণে’ শুক্রবার ও শনিবার সেন্ট্রাল পার্ক জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দিল্লি পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা (ডিসিপি-প্রো) নেহা যাদব জানান, শান্তি বজায় রাখা এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ও মানুষের জীবন রক্ষার স্বার্থে কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্টসংখ্যক ব্যক্তিকে উপযুক্ত কোনো স্থানে জাতীয় পতাকা বহন ও জাতীয় সংগীত গাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হতে পারে।
