
স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট নগরীর খাদিমপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে প্রহরী ইরফান আলীর (৬০) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের ছেলে মোশহিদ শুক্রবার রাতে শাহপরান থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলাটি করেন। এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ভবনের ১৩ শ্রমিককে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের অনুমতি ছাড়া তাঁদের এলাকা ত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে খাদিমপাড়ার ৪ নম্বর রোডের নুর প্যালেস নামের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলা থেকে ইরফান আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইরফান আলীর বাড়ি গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নয়াগ্রামে। প্রায় আড়াই বছর ধরে তিনি ওই ভবনে রাতের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। শুক্রবার সকালে ভবনে কর্মরত শ্রমিকেরা চতুর্থ তলায় তাঁর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে শাহপরাণ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর ভবনে কর্মরত ১৩ শ্রমিককে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত ১২টা পর্যন্ত ইরফান আলী তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। সকালে চতুর্থ তলায় তাঁর মরদেহ দেখতে পান তাঁরা। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতুড়ি ও একটি রড জব্দ করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বলেন, এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ১৩ শ্রমিককে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বর্তমানে ওই ভবনে কাজ করছেন। তবে পুলিশের অনুমতি ছাড়া তাঁদের এলাকা ত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, নিহতের ছেলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের দায়ী করে মামলা করেছেন। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত করছে।
