

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ এ সংক্রান্ত ইস্যুতে আলোচনা করেন তিনি। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে একসঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ-চীন
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়িয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চায় চীন। একইভাবে চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা জোরদার করে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা বাংলাদেশেরও। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকায় চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ঢাকায় চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন। পরে ঢাকার চীনা দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুষ্ঠানের তথ্য জানায়। অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, গত ৭৭ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের অর্জন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় বিষয়। চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে বাংলাদেশ আগ্রহী। অন্যদিকে ড. লিউ ইউইন বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ গড়ে তোলার যৌথ উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে চীন পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বেইজিং।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় থাকবে ২ লাখ আনসার-ভিডিপি
শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে ২ লাখ ১২ হাজার ১১৮ জন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত পূজামণ্ডপে ৮ জন এবং সাধারণ পূজামণ্ডপে ৬ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে স্ট্রাইকিং পেট্রোল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। মানচিত্রদেখুন মহাপরিচালক বলেন, এবার সারা দেশে ৩৩ হাজার ১৬৫টি পূজামণ্ডপের তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৯১৪টি পূজামণ্ডপকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পূজামণ্ডপে মোতায়েন করা সদস্যদের পাশাপাশি ১০৪টি স্ট্রাইকিং পেট্রোল দায়িত্ব পালন করবে। পূজামণ্ডপগুলোর মধ্যে সমন্বয় রক্ষা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা ভূমিকা রাখবে- যাতে সুযোগসন্ধানীরা ছোট কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং পেট্রোল সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় গত বছরের মতো এবারও ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হবে বলে জানান আনসার মহাপরিচালক। তিনি বলেন, অ্যাপটিতে ৬৬ হাজার সদস্য নিবন্ধিত থাকবেন। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে দ্রুত তথ্য পাওয়া যাবে এবং পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করা সম্ভব হবে। মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার সফল প্রয়োগ করা হয়েছিল। এবারও অ্যাপটিকে সমন্বয়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগানো হবে। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের কার্যক্রম তদারকির জন্য বাহিনীর নিজস্ব মনিটরিং ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম বা অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্গাপূজায় দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্যদের ভাতা তুলনামূলক কম উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, দায়িত্ব পালনের জন্য একজন সদস্য দৈনিক প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ভাতা পান। তবে সদস্যদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর জন্য ইতিপূর্বে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, দায়িত্ব পালনের সময় সদস্যদের গভীর রাত পর্যন্ত মণ্ডপে অবস্থান করতে হয়; তাই তাদের প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাসও পাওয়া গেছে। মহাপরিচালক বলেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সংস্কারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো সদস্যদের মধ্যে সেবাধর্মী মানসিকতা গড়ে তোলা। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তারা যেন সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, সে বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চাইলে আনসার মহাপরিচালক বলেন, ‘সদস্য সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও তাদের যথাযথভাবে দায়িত্বে উপস্থিত রাখা জরুরি। এ ক্ষেত্রে লজিস্টিক সহায়তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্ব পালনের সময় সদস্যদের খাবারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো পরিস্থিতিতে গণজমায়েত বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সদস্যদের ধৈর্য ধরে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। কোনো কারণে তাদের ওপর আক্রমণ হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গুজব প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা সমন্বয়ের বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, ‘পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বিক সমন্বয় রয়েছে। জেলা পর্যায়ে ব্রিফিং ও বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় সভা সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

দ্বিতীয় দিনেও উত্তরায় মহাসড়ক অবরোধ, চরম ভোগান্তি
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আর চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। এতে সড়কে যান চলাচল ধীরগতিতে চলছে। আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বাড়ানোর দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। এ বিষয়ে উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদ আলম বাংলানিউজকে বলেন, সড়কে যান চলাচল ধীরগতিতে চলছে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

মন্ত্রীর অজান্তে খাদ্যগুদাম পরিদর্শন, এপিএসকে অব্যাহতি
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের অগোচরে সরকারি সফরসূচি তৈরি করে খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তার একান্ত সহকারী সচিব (এপিএস) মো. আবদুল আওয়াল বুলবুল। মন্ত্রীর অগোচরে সরকারি সফরসূচি জারি করে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্যগুদাম পরিদর্শনের এ ঘটনায় দায়িত্ব হারিয়েছেন তিনি। এদিকে সফরসূচি তৈরিতে সহায়তার অভিযোগে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামকে দেওয়া হয়েছে কারণ দর্শানোর নোটিশ। খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেন খাদ্যমন্ত্রীর এপিএস আবদুল আওয়াল। এ সফরের জন্য ৮ অক্টোবর একটি সরকারি সফরসূচির নোটিশ জারি করা হয়। মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরে জারি করা ওই নোটিশে ঢাকার মোহাম্মদপুরে এপিএসের নিজ বাসা থেকে যাত্রা শুরু করে পরিদর্শন শেষে আবার বাসায় ফেরার কর্মসূচিও উল্লেখ করা হয়। সফরের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে নোটিশের অনুলিপি পাঠানো হয় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে। জ্বালানির ব্যবস্থা করতে অনুলিপি দেওয়া হয় অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের পরিচালককেও। এ সফরে কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাও অংশ নেন বলে জানা গেছে। যা সরকারি রীতি বর্হিভূত বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রের ভাষ্য, এপিএসের এ সফর সম্পর্কে কিছুই জানতেন না খাদ্যমন্ত্রী। বিষয়টি জানার পর ক্ষুব্ধ হন তিনি। সফরের পরদিন (১২ অক্টোবর) আবদুল আওয়ালকে নিজের কক্ষে ডেকে পাঠান মন্ত্রী। সেখানে তাকে অফিস থেকে চলে যেতে বলেন। পরে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, খাদ্যমন্ত্রীর এপিএস হিসেবে এ ধরনের কর্মসূচি পালনের সুযোগ নেই। মন্ত্রীর অগোচরে সরকারি সফরসূচি তৈরি করে এভাবে পরিদর্শনে যাওয়ার বিষয়টি জানার পরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সফরসূচি তৈরিতে সহায়তার অভিযোগে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

৩ দিন মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে যে এলাকায়
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকায় টানা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২৭ অক্টোবর মধ্যরাত ১২টা থেকে ৩০ অক্টোবর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ ছাড়া ২৮ অক্টোবর মধ্যরাত ১২টা থেকে ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, প্রাইভেট কার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে পাঠানো ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন ২৯ অক্টোবরের আগে ও ভোটের দিন যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক এবং জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এ ছাড়া ওষুধ, স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসাসামগ্রী এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হবে। ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁর নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি করে জিপ, কার, মাইক্রোবাসসহ ছোট আকৃতির যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন এবং গাড়িতে নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন করতে হবে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক কিংবা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচ প্রার্থী। তাঁরা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।


