বকশীগঞ্জে সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগরের পক্ষে ১২টি পূজা মণ্ডপে অর্থ সহায়তা প্রদান


জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগরের পক্ষ থেকে পৌর এলাকার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগরের পক্ষ থেকে তাঁর বড় ছেলে নাফিস সওদাগর পৌর এলাকার ১২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং আয়োজকদের হাতে এই নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন।
মণ্ডপ পরিদর্শনকালে নাফিস সওদাগর তাঁর বাবা নজরুল ইসলাম সওদাগরের পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুব সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ সনাতন ধর্মের অনুসারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগরের এই সামাজিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সহায়তার জন্য পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ তাঁর ও তাঁর পরিবারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শিবপুরে এমপি ও জেলা পরিষদ প্রশাসকের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন
নরসিংদীর শিবপুরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী ও নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তারা যৌথ ভাবে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার যোশর ইউনিয়ন এর শরীফপুর ঠাকুর বাড়ি পূজা মন্ডপ, গোপনাথ উত্তর আখড়া, যোশর বড় বাড়ি ও জয়নগর ইউনিয়ন এর নৌকাঘাটা, জয়নগর দূর্গা মন্দির, শিবপুর পৌরসভার চক্রধার শিবপুর উপজেলা সার্বজনীন ভক্ত সংঘের পূজা মন্ডপ, চক্রধা পশ্চিম পাড়া সার্বজনীন পূজা মন্ডপ, শিবপুর থানা সার্বজনীন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন, শিল্প মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল করিম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামিউর রহমান, ওসি মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক মোল্লা, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাহবুব খান, শিবপুর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, শিবপুর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম মৃধা, সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ সুমন, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক শাহাদাৎ হোসেন মামুন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাছুম মোল্লা, উপজেলা জাসাসের আহবায়ক আরিফ হাসান, সদস্য সচিব মাহবুব খান প্রমুখ।

প্রেসক্লাব নকলার সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন রাকিব
প্রেসক্লাব নকলার ৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিনের সিনিয়র সাব-এডিটর মাসুম বিল্লাহ রাকিব। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মোহনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল-আমিন। কমিটিতে দৈনিক দেশ রূপান্তরের নকলা উপজেলা প্রতিনিধি মো. শফিউজ্জামান রানাকে সভাপতি এবং জাতীয় অর্থনীতি ও ন্যাশনাল কান্ট্রি টুডের প্রতিনিধি নাহিদুল ইসলাম রিজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য গঠিত এ কমিটির তালিকা রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে প্রকাশ করা হয়। কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন শফিউল আলম লাভলু। সহসভাপতি হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন ও আরিফুর রহমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. সজিব মিয়া, রকিব হাসান রবিন ও মোস্তাক আহাম্মেদ। এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক নয়ন শেখ, কোষাধ্যক্ষ মো. জহিরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাইসুল ইসলাম রিফাত, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক এম এ ফিরোজ, কল্যাণ ও তহবিল সম্পাদক মাহাদী হাসান এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছেন আইনুল নাঈম। উল্লেখ্য, প্রেসক্লাব নকলা ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন কমিটির নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত ঐক্য ও সহযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরতে সংগঠনটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ঝিনাইগাতীর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ
শেরপুরের ঝিনাইগাতী সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি। জব্দ করা মদের আনুমানিক সিজার মূল্য ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা। ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় আজ ২১ শে অক্টোবর শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গারোকোনা লেবুবাগান নামক স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।হলদিগ্রাম ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৮৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করতে সক্ষম হন বিজিবির সূত্রে জানা যায় তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, বিজিবি আরও জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তে মাদক, চোরাচালানি মালামাল ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন বিজিবি।

মাগুরায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ
মাগুরায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের কাউন্টার থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। নিহত সাকের হোসেন মাগুরা পৌরসভার পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে সাকের হোসেনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে ছিদ্রের মতো একটি ক্ষতচিহ্ন দেখতে পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, বুধবার ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকের হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের মতো ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে সেটি গুলির আঘাতে সৃষ্টি হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের অস্থায়ী লাশ ঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এদিকে, যুবদল নেতার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবার, স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, বিগত ১৭ বছরে সাকের হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ১০টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছিল। তবে এসব মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। এ বিষয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, ‘বুধবার সকালে যুবদল নেতা সাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন রয়েছে। তবে সেটি গুলির আঘাত কি না কিংবা তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’ যুবদল নেতার এই মৃত্যুর ঘটনা হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

চন্দনাইশে ২৮ লাখ টাকার ইয়াবাসহ আটক ১
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে মারসা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৯ হাজার ৬২০ পিস ইয়াবাসহ মো. ফরহাদ-উজ-জামান জয় (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে এসআরবি-৭। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের গাছবাড়িয়া বাইন্যাপুকুর পাড় এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালানো হয়। আটক জয় পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের পূর্ব মনসা এলাকার মো. ইদ্রিস মিয়ার ছেলে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এ ঘটনায় এসআরবি-৭-এর পক্ষ থেকে চন্দনাইশ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম. দিদারুল ইসলাম সিকদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


