মৌলভীবাজারে পরীক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, ছিঁড়ে ফেলা হলো প্রবেশপত্র
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
- আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
মৌলভীবাজারে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এক কলেজশিক্ষার্থীকে মারধর, প্রবেশপত্র ও কলেজের পোশাক ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তাঁর চাচা ও অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী শাকিল আহমেদ (২২) মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের বিএ শ্রেণির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কমলগঞ্জের কালেঙ্গা এলাকার শানু মিয়ার ছেলে। গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রহিমপুর ইউনিয়নের কালেঙ্গা এলাকার রহিম মার্কেটের পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিএ পরীক্ষা শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন শাকিল। কালেঙ্গা বাজারের সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে বাড়ির পথে রহিম মার্কেটের পশ্চিম পাশে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ব্যক্তিরা তাঁর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শাকিলের অভিযোগ, হামলাকারীরা জিআই পাইপ, কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ সময় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে স্বজনেরা তাঁকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় শাকিলের পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও কলেজের পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয়। তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শাকিলের দাবি, অভিযুক্ত আবুল হোসেন তাঁর আপন চাচা। তাঁদের পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জেরেই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা ও শিক্ষাজীবন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কাছেও লিখিত আবেদন করেছেন শাকিল। আবেদনে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজীব বলেন, বিষয়টি পারিবারিক ও ভূমিসংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে জড়িত। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
