নেত্রকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফর জামান ফকির আলিফকে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আশিকুর রহমান প্রাঙ্গণ (২১) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৪ (ময়মনসিংহ)।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে দুর্গাপুর পৌরসভার শহিদ মিনার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাঙ্গণের বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলা সদরের বাগিচাপাড়া গ্রামে।
এসআরবি-১৪ (ময়মনসিংহ) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান নিশ্চিত করে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার আশিকুর রহমান প্রাঙ্গণকে দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বুধবার সকালে প্রাঙ্গণের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘তার ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে। আমাদের রিকুইজিশনের পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন
এর আগের দিন মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি জাহিদুল হাসান (বিপিএম-সেবা) পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় নেত্রকোণার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আলিফ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’
জানা গেছে, নিহত সাংবাদিক আলিফ ‘রূপসী বাংলা’ টিভির স্থানীয় প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজে সীমান্ত এলাকার অপরাধ নিয়ে লেখালেখি করতেন। গত ১৫ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুরের তেলুঞ্জিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পরদিন ১৬ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
সঞ্জয় সরকার/রিফাত/
আরও পড়ুন
টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ৩
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
তারা হলেন, মো. লালচান (৬০), মোছা. নাসিমা বেগম (৫০) ও মোছা. তানিসা আক্তার (১৬)। তারা সবাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন
দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিয়ে আসলে ভর্তি করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, টঙ্গীর চেরাগ আলী থেকে একই পরিবারের দুই নারীসহ তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে লালচানের শরীরে ৯৫ শতাংশ দগ্ধ, নাসিমার শরীরের ৮৫ শতাংশ দগ্ধ ও তানিসার শরীরে ৮৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আরও পড়ুন
রিফাত/
আরও পড়ুন
সিঁদুরে রাঙা মহাদশমী
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
ছবি - মৌলভীবাজার শহরের কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন নারীরা।
-->পূজার আনন্দের শেষ প্রহর। বিদায়ের সুর বাজছে মণ্ডপে মণ্ডপে। দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর ছোঁয়ানোর পর একে অপরের কপালে, গালে সিঁদুর মাখিয়ে দিচ্ছেন নারীরা। কারও মুখে হাসি, কারও চোখে অশ্রু চিকচিক করছে। ছবি তোলা, সেলফি আর আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে তারা মেতে উঠেছেন সিঁদুর খেলায়। এ যেন বিদায়ের মুহূর্তেও আনন্দকে আঁকড়ে ধরে থাকার এক আয়োজন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাদশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের দিনে মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেখা গেছে এমন দৃশ্য।
সকাল থেকেই বাহারি সাজে মণ্ডপে আসতে শুরু করেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে মানুষের ভিড়। দেবী দর্শন, প্রণাম আর সিঁদুর খেলায় মুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ গুলো। বিকেলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
সকাল ১০টার পর থেকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সিঁদুর খেলায় অংশ নিতে আসেন নারীরা। দেবীর চরণে সিঁদুর ছোঁয়ানোর পর তারা একে অপরের কপালে ও গালে সিঁদুর মাখিয়ে দেন। কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে, কেউবা বন্ধুদের নিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। অনেককে আবার মুঠোফোনে স্মৃতির মুহূর্ত ধরে রাখতেও দেখা যায়।
আরও পড়ুন
মৌলভীবাজার শহরের ঘোষবাড়ির পূজামণ্ডপে অন্নপূর্ণা ঘোষ বলেন, ‘বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলা হয়। সবাই একসঙ্গে মিলিত হয়ে আনন্দের সঙ্গে উৎসব উপভোগ করছি। এই রীতিতে একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়। অনেকেই মণ্ডপে সিঁদুর খেলেন, আবার কেউ কেউ বাড়িতেও এ আয়োজন করেন।’
শহরের কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে সিঁদুর খেলায় অংশ নেন কাকলি অর্জুন, রুমা পাল ও মুন্নি দাস। তারা জানান, বিবাহিত নারীরা সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিয়ে দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর ছোঁয়ান। এরপর একে অপরের কপাল, সিঁথি ও মুখে সিঁদুর মাখিয়ে দেন।
আরও পড়ুন
কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির পৌরহিত কন্দর্প নারায়ণ চক্রবর্তী বলেন, ‘আমাদের মণ্ডপে সকাল ১০টার দিকে সিঁদুর খেলা শুরু হয়। চলবে দুপুর পর্যন্ত। বিকেলে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। সন্ধ্যায় অপরাজিতা ধারণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রচলিত রীতি অনুসারে সিঁদুর খেলাকে সৌভাগ্য ও স্বামীর দীর্ঘায়ুর কামনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি আশু রঞ্জন দাস জানান, বিকেলে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হবে।
পুলক পুরকায়স্থ/অন্তরা/
আরও পড়ুন
চাঁদপুরে মেঘনায় ২ দফা অভিযান, ১০ জেলের বিরুদ্ধে মামলা
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মা ইলিশ রক্ষায় মেঘনা নদীতে দুই দফা অভিযান চালিয়ে দশ জেলেকে আটকসহ জাল ও নৌকা জব্দ করেছে নৌ পুলিশ। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে ছয়টি পৃথক মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেন মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে।
আরও পড়ুন
নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, অবৈধ চায়না চাই ও মশারির জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ মিটার কারেন্ট জাল, ৮০ মিটার চায়না চাই ও ৫০ মিটার মশারির জাল জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া একই দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কালিরচরা, ষাটনল ও বাহাদুরপুর-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগে আরও চারজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৭০০ মিটার কারেন্ট জাল ও দুটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন
মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন জানান, পৃথক দুটি অভিযানে আটক দশ জেলের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে পৃথকভাবে ছয়টি মামলা করা হয়েছে। তাদের বুধবার চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হবে।
ফয়েজ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহার
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও অতিরিক্ত সচিব ইউসুফ আলীকে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ (ঊনি-১) শাখার উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। স্ট্যান্ড রিলিজের এই নির্দেশ পাওয়ার পরপরই মঙ্গলবার তিনি রাজশাহী ত্যাগ করেছেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন
তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনার কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে কি-না, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় ধারণ করা একটি ভিডিওতে বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে প্রধানমন্ত্রীর দিকে হাত বাড়িয়ে এক হাত দিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করতে দেখা যায়। যা সরকারি প্রটোকল ও আচরণবিধির সুস্পষ্ট ব্যত্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়। বিমানবন্দরের এই আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি উপস্থিত শীর্ষ কর্মকর্তাদের দৃষ্টিগোচর হলে মুহূর্তেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার প্রত্যাহার-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আরও পড়ুন
মাঠ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, সরকারের উচ্চপর্যায়ের সফরকালে নির্ধারিত নিরাপত্তা, সম্মান ও প্রটোকল কঠোরভাবে মেনে চলা বাধ্যতামূলক। কোনো কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনকালে প্রটোকল লঙ্ঘন করলে তা শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। এই ঘটনার মাধ্যমে সিভিল সার্ভিসের নিয়মকানুন ও পেশাদারত্বের বিষয়টিতে সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলো।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাতেই দায়িত্ব ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন ইউসুফ আলী। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে নগরের তালাইমারী এলাকা অতিক্রম করতে দেখা যায়। পরে তিনি ঢাকায় পৌঁছান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গত আগস্টে রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন ইউসুফ আলী। এর আগে, তিনি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সদস্য পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে বিভাগের আট জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম সমন্বয়, উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
দুই মাসের মাথায় তাকে প্রত্যাহার করা হলেও রাজশাহী বিভাগের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এনায়েত করিম/সালমান/
