Published on
:
1 min read
এই সময়: পুজোর আনন্দে পথে নেমেছে কলকাতা। কিন্তু মণ্ডপে পৌঁছনোর আগেই ভিড়ের চাপে হাঁসফাঁস অবস্থা দর্শনার্থীদের। পঞ্চমীর পরে ষষ্ঠীতেও শহরের লাইফলাইন মেট্রোয় কার্যত জনজোয়ার। সিঁড়ি বেয়ে প্ল্যাটফর্মে নামার আগেই বিপুল জনতার স্রোত যাত্রীদের স্বাভাবিক গতিকে আটকে দিচ্ছে। এর পর রয়েছে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষারত যাত্রীদের ভিড় পার করে আগে থেকেই ভিড়ে ঠাসা কামরায় ওঠার পর্ব। আর তাতেই নাকাল যাত্রীরা। বেশির ভাগ স্টেশনেই দরজা বন্ধ করতে গিয়ে রীতিমতো সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে চালককে। বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে মোতায়েন রেলরক্ষীরা যাত্রীদের একাংশকে ট্রেনে ওঠা থেকে নিরস্ত করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন ষষ্ঠীর দুপুর থেকেই। সব মিলিয়ে প্রতিমা দর্শনের উৎসাহে মেট্রো যাতায়াতের দুর্ভোগই এখন বড় হয়ে উঠেছে।
পুজোর দিনগুলিতে কলকাতার যানজট এড়িয়ে দ্রুত এক মণ্ডপ থেকে অন্য মণ্ডপে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভরসা মেট্রো। সেই সুবিধা নিতে পঞ্চমী থেকেই স্টেশনগুলিতে বাড়তে শুরু করেছিল মানুষের ঢল। রবীন্দ্র সরোবর, কালীঘাট, রবীন্দ্র সদন, এসপ্ল্যানেড, চাঁদনি চক, শ্যামবাজার, দমদম ইত্যাদির মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে বিকেল গড়াতেই ভিড় সামলাতে নাজেহাল হয়েছেন রেলরক্ষীরা। তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছনোর তাড়ায় কোনও রকমে কামরায় ঢোকার চেষ্টা করছেন অনেকে। ফলে দরজা আটকে যাচ্ছে, বাড়ছে অপেক্ষার সময়ও।
ষষ্ঠীতে সকাল থেকেই পুজো দেখতে বেরিয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেট্রো, বাস ও লোকাল ট্রেনে চাপ বেড়েছে। একই ছবি শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। তাতে চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা। তবে মেট্রোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নিরাপদ ওঠানামা নিশ্চিত করাই এখন কর্তৃপক্ষের বড় পরীক্ষা।
