নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী দারোয়ানী রেলস্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবীতে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শণ করেছেন স্থানীয়রা।
বুধবার সকাল সাতটা থেকে অবরোধ শুরু করেন স্থানীয়রা। পরে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দুপুর সাড়ে বারোটার দিয়ে কর্মসুচি প্রত্যাহার করে নেন তারা।
বিজ্ঞাপন
অবরোধের কারণে রুপসা ও সীমান্ত এক্সপ্রেস যথাসময়ে যেতে পারেনি। পাঁচ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় সৈয়দপুর-চিলাহাটি রেলপথে।
স্থানীয়রা জানান, দারোয়ানী একটি ঐতিহ্যবাহী রেলস্টেশন। আগে সব ট্রেনে যাত্রাবিরতি করতো এখানে। দারোয়ানী ব্যবসায়িক হওয়ায় এখান থেকে বিভিন্ন জেলায় যেতের ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা জামিয়ার রহমান বলেন, ‘এখানে শুধু একটি লোকাল ট্রেন থামে। স্টেশনটি অনেক পুরোনো। আমরা চাই এখানে আন্ত নগর ট্রেনগুলো যাত্রাবিরতি দিক। অনেক যাত্রী এখান থেকে ট্রেনে উঠতে এবং নামতে পারবে। এছাড়া দারোয়ানী রেলস্টেশনটি দ্রুত চালু করা হোক।
নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুব উর রহমান জানান, দারোয়ানী একটি ঐতিহ্য রয়েছে।
আন্তনগর ট্রেনগুলো এই স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেওয়া যৌক্তিকতা রয়েছে।
তাছাড়া উত্তরা ইপিজেড এই স্টেশনকে ব্যবহার করবে, চীন সরকারের এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন, বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। সে হিসেবে দারোয়ানী স্টেশনটি দ্রুত চালু হওয়া দরকার।
জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সোহায়েল পারভেজ বলেন, স্থানীয়দের দাবির সঙ্গে আমিও একমত। স্টেশনটি চালু হলে যেমন অর্থনৈতিকভাবে এলাকায় প্রভাব পড়বে তেমনি যোগাযোগ ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
স্টেশনটি চালুর আগে যাতে আন্তনগর ট্রেনগুলো যাত্রাবিরতি দেয় সে বিষয়ে আমরা উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি।
জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক হুমায়ূন কবির বলেন, ইতিমধ্যে আমি সচিব স্যারের সাথে কথা বলেছি। সকল ট্রেন যাতে দারোয়ানী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয় এবং বন্ধ রেলস্টেশনটি দ্রুত যাতে চালু হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আশ্বাস দিয়েছেন।
এমএইচ
