Published on
:
1 min read
এই সময়, আলিপুরদুয়ার: ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের খুলে গিয়েছে দেশের সমস্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চল। এ দিকে বক্সা এখনও পর্যটকহীন। বাঘিনিকে মনিটরিংয়ের স্বার্থে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বক্সায় পর্যটকদের প্রবেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বন দপ্তর।
১০ অক্টোবর থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা তোলা হলেও দশ দফা দাবিকে সামনে রেখে বক্সার ১৮টি গ্রামসভার যৌথ মঞ্চ সাফারি বন্ধ রেখে অবস্থান শুরু করায় পুজোর মুখে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে বক্সার পর্যটন। টানা ১২ দিন ধরে বক্সায় জিপ সাফারি বন্ধ থাকায় মুখ ফেরাতে শুরু করেছেন পর্যটকরাও। পর পর বুকিং বাতিলের জেরে আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে বক্সার পর্যটনের সঙ্গে জড়িত কয়েক হাজার মানুষ।
যদিও সেই ক্ষতি স্বীকার করেও নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে লাগাতার অবস্থান চালাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। অভিযোগ, তাঁদের সমস্যা নিয়ে কোনও হেলদোল নেই বন দপ্তরের। বক্সার মূল প্রবেশপথের পাশে রাজাভাতখাওয়ায় টিকিট কাউন্টার সরকারি ভাবে খোলা, তবে পর্যটকদের দেখা মিলছে না সেখানে। এখন বক্সার অচলাবস্থা কাটাতে আন্দোলনরত বাসিন্দারা এলাকার বিধায়ক তথা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা ও রাজ্যের বনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন। তবে কালচিনি ও কুমারগ্রাম থেকে রাজ্য ক্যাবিনেটে থাকা দুই মন্ত্রীই গোটা বিষয়টি নিয়ে চুপ।
বক্সার আন্দোলনকারীদের অন্যতম নেতা অয়ন নাইডুর অভিযোগ, 'বিয়ে বা কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য আমাদের বন দপ্তরের অনুমতির অপেক্ষায় থাকতে হয়। বনকর্তাদের মর্জির উপর চলতে হয়। স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও আমরা পরাধীন। বক্সা কি ভিনগ্রহের মুলুক?
রাজ্যের দুই মন্ত্রী নিজেদের ভূমিপুত্র, জঙ্গলের মানুষ বলে পরিচয় দেন। তাঁরা আমাদের নিকটতম বাসিন্দা, অথচ তাঁরা আমাদের সমস্যা না-মিটিয়ে অদ্ভুত নীরবতা পালন করছেন। আমরা চাইছি দ্রুত তাঁরা আমাদের সমস্যা বিবেচনা করে বক্সায় পর্যটনের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনুন।' প্রতিক্রিয়া জানতে দুই মন্ত্রীকেই একাধিকবার ফোন করা হলেও কোনও জবাব মেলেনি।
