বাংলা: ১৮৪ (প্রথম ইনিংস), ১৪৬ (দ্বিতীয় ইনিংস)
সার্ভিসেস: ১২২(প্রথম ইনিংস), ১৪৮ (দ্বিতীয় ইনিংস)
৬০ রানে জয়ী বাংলা
ঘূর্ণির কড়াইয়ে বাংলাকে ভেজে ফেলার ছক কষেছিল সার্ভিসেস। কিন্তু সেই কৌশল বুমেরাং হয়ে গেল। সাড়ে তিনদিনেই ম্যাচ জিতে নিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। রনজিতে এই নিয়ে টানা দুই ম্যাচ জিতল বাংলা। ঝুলিতে এখন ১২ পয়েন্ট। আগের ম্যাচে দিল্লিকে হারিয়েছেন অভিষেক পোড়েলরা। এবার সার্ভিসেস বধের কাণ্ডারী বাংলার স্পিন ব্রিগেড।
নয়াদিল্লির পালাম স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে ছিল স্পিনারদের দাপট। প্রথম দিন টসে জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলা। ভালো শুরু করেও শেষ পর্যন্ত অভিষেক পোড়েলরা আত্মসমর্পণ করেন ঘূর্ণি আক্রমণের সামনে। তবে বাংলা স্পিনাররাও পালটা ছোবল দিয়েছেন সার্ভিসেস ব্যাটিং লাইন আপে। প্রথম দুই দিনে পনেরোটা করে উইকেট পড়ে যায়। দুই দলের স্পিনাররাই ঘাতক হয়ে উঠেছিলেন পালামের পিচে। কিন্তু শেষ হাসি হাসল বাংলা।
প্রথম ইনিংসে বাংলার ১৮৪ রানের জবাবে সার্ভিসেস থেমে যায় ১২২ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসেও ফের ব্যাটিং ব্যর্থতা বাংলার। দেড়শোর গণ্ডিও পেরতে পারেননি সুদীপ ঘরামিরা। ১৪৬ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলার দ্বিতীয় ইনিংস। জয়ের জন্য সার্ভিসেসের সামনে ২০৯ রানের টার্গেট ছিল। কিন্তু এই ম্যাচের প্রথম তিন ইনিংস মিলিয়ে কোনও দলই দুশো পেরতে পারেনি। ফলে সার্ভিসেসের কাজটা ছিল অত্যন্ত কঠিন। তবু প্রথম ইনিংসের তুলনায় রজত পালিওয়ালরা ভালো ব্যাটিং করলেন। সেটা অবশ্য জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
১০ উইকেট হাতে নিয়েই তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমেছিল সার্ভিসেস। ৪৩ রানের প্রথম ধাক্কাটা দেন শাহবাজ আহমেদ। তারপর থেকে পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করলেও পারেননি নকুল শর্মারা। সার্ভিসেস ইনিংস শেষ হয়ে যায় ১৪৮ রান। চার উইকেট তুলে নেন প্রদীপ্ত প্রামাণিক। শাহবাজের ঝুলিতে তিন উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে আমির গনি জোড়া উইকেট তুলে নিয়েছেন। মহম্মদ কাইফও উইকেট পেয়েছেন। রনজি অভিযানের শুরুতেই পরপর দুই জয়ে আত্মবিশ্বাসে ফুটছে বাংলা। পরের ম্যাচে অভিমন্যুদের প্রতিপক্ষ কেরল। অ্যাওয়ে ম্যাচে কি বজায় থাকবে জয়ের ধারা?
