ছবি: সংগৃহীত
-->মেসি নাকি রোনালদো-ফুটবলবিশ্বে এই বিতর্কের শেষ নেই। দুই মহাতারকার দ্বৈরথ এবার নতুন রূপে সামনে এসেছে। ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসের সেরা বিজয়ী বেছে নিতে আয়োজিত এক ভোটাভুটিতে বড় ব্যবধানে এগিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম পেয়েছে সবচেয়ে বেশি ভোট। অন্যদিকে, লিওনেল মেসির রেকর্ডগড়া ২০১২ সালের মৌসুম রয়েছে অনেক পিছিয়ে।
অক্টোবরের শুরুতে এই ভোটাভুটি শুরু হয়। চলবে ২৭ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত। একাধিকবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, এমন ১০ কিংবদন্তির সেরা মৌসুম নিয়ে চলছে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
তালিকায় রয়েছেন মেসি ও রোনালদো ছাড়াও রোনালদো নাজারিও, মার্কো ফন বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি, কার্ল-হাইন্ৎস রুমেনিগে, কেভিন কিগান, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইয়োহান ক্রুইফ ও আলফ্রেডো দি স্তেফানো।
ভোটের হিসাবে এখন পর্যন্ত সবার ওপরে রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুম। এই পর্তুগিজ তারকার পক্ষে পড়েছে ৬২ শতাংশ ভোট। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলার সময় ওই বছরই প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জেতেন তিনি। ক্যারিয়ারে তার মোট পাঁচটি ব্যালন ডি’অরের প্রথমটি ছিল সেটি।
অন্যদিকে, মেসির ২০১২ সালের মৌসুম পেয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ ভোট। অথচ ওই বছরই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। এক পঞ্জিকাবর্ষে ৬৯ ম্যাচে করেছিলেন ৯১ গোল। জিতেছিলেন টানা চতুর্থ ব্যালন ডি’অর।
মেসির ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম রয়েছে তালিকার পরের দিকে। এই মৌসুম পেয়েছে ৯ শতাংশ ভোট। পিএসজির হয়ে লিগ ওয়ান ও ফরাসি সুপার কাপ জয়ের পাশাপাশি ৪১ ম্যাচে ২১ গোল ও ২০টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি।
রোনালদোর অন্য দুই শিরোপাজয়ী মৌসুমও রয়েছে তালিকায়। ২০০৭ সালের মৌসুম পেয়েছে ৭ শতাংশ ভোট। ২০১৬ সালের মৌসুমের পক্ষে ভোট পড়েছে ২ শতাংশ।
এই ভোটাভুটিতে অংশ নিতে প্রতিটি ভোটের জন্য খরচ করতে হচ্ছে এক ইউরো। ভোটদাতাদের জন্য রয়েছে চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট জেতার সুযোগ। পাশাপাশি ঐতিহাসিক একটি ছবি কেনা ও ডাউনলোড করার সুবিধাও থাকছে। একই খেলোয়াড়কে একাধিকবার ভোট দেওয়া যাবে। ভোটের হালনাগাদ হিসাবও দেখা যাচ্ছে সরাসরি।
পাপ্পু/
