শিক্ষার্থীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অ্যাম্বুলেন্সটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, চাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিবসহ চাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে চাকসুর স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে চাকসুকে প্রতিপক্ষ নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। প্রশাসনের আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতব্যবস্থা সহজ করা, মাদক ও যৌন নিপীড়ন নিয়ন্ত্রণ এবং খাবারের মান উন্নয়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংযোজনও এসব উদ্যোগের অংশ।”
মঙ্গলবার অ্যাম্বুলেন্সটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন চাকসুর নেতাকর্মীরা
চাকসুর সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে তারা কাজ করছেন। বিশেষ করে যাতায়াত ও আবাসন খাতে দীর্ঘদিনের সমস্যা রয়েছে। ৬০ বছরের জমে থাকা এসব সমস্যা এক দিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহারে চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।”
“আজকের এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু একটি অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর নয়। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, এটি তারই একটি বাস্তবায়ন”, যোগ করেন তিনি।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাকসুকে প্রতিপক্ষ নয়, সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করে। যাতায়াতব্যবস্থার উন্নয়ন, আবাসন সংকট নিরসন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে।”
তিনি আরো বলেন, “মাদক ও ইভটিজিং নিয়ন্ত্রণ, খাবারের মান উন্নয়ন এবং চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সফট স্কিল প্রশিক্ষণ, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। মাদক ও ইভটিজিং নিয়ন্ত্রণ, খাবারের মান উন্নয়ন এবং মেডিকেল সেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সফট স্কিল প্রশিক্ষণ, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।”
