ঘরে লক্ষ্মী পুজো তো করছেন। কিন্তু মূর্তি বা ছবি কোথায় রাখছেন, সেই নিয়েও সচেতন হওয়া জরুরি। সামান্য অসাবধানতায় অজান্তেই ধেয়ে আসতে পারে ঘোর বিপদ।
শাস্ত্র বলে, তিনি সুখ-সমৃদ্ধির দেবী। তাঁর আশীর্বাদে আসে প্রাচুর্য। মূর্তি হোক বা ছবি, দেবী লক্ষ্মী পূজিত হন ঘরে ঘরে। কিন্তু জানেন কি, এই মূর্তি বা ছবি কোথায় রাখছেন, সেই নিয়েও সচেতন হওয়া জরুরি। সামান্য অসাবধানতায় অজান্তেই ধেয়ে আসতে পারে ঘোর বিপদ।
০২ / ১০
রবিবার, কোজাগরী পূর্ণিমা। বাঙালি হিন্দু পরিবারে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে পুজোর তোরজোড়। জাঁকজমক থেকে আরাধনা, কোনও কিছুতেই কমতি নেই। কিন্তু দেবীমূর্তি সঠিক স্থানে রেখেছেন তো?
০৩ / ১০
বাস্তুশাস্ত্র মতে, ঈশান কোণ বা উত্তর-পূর্ব কোণ অত্যন্ত পবিত্র। সেই দিকে রাখতে হবে দেবী লক্ষ্মীর মূর্তি।
০৪ / ১০
উত্তর-পশ্চিম দিক করে টাঙাতে পারেন দেবীর ছবি।
০৫ / ১০
বাড়িতে নির্দিষ্ট কোনও ঠাকুরঘর না থাকলেও সমস্যা নেই। উত্তর-পশ্চিম কোণ করে ছবি টাঙাতে বসার ঘরের দেওয়ালে অথবা মূর্তি রাখতে পারেন পরিষ্কার কোনও স্থানে।
০৬ / ১০
শৌচাগারের সামনে ভুলেও রাখবেন না লক্ষ্মীর প্রতিমা। এমনকি শৌচাগারের সামনে দেবীর পা বা পুজোর আলপনা আঁকাও অশুভ বলে গণ্য করা হয় শাস্ত্রে।
০৭ / ১০
লক্ষ্মীপুজো করার সময়ে এমন ভাবে বসবেন, যাতে আপনার মুখ থাকে উত্তর-পশ্চিম দিকে।
০৮ / ১০
ছবি কেনার সময়ও লক্ষ্য করবেন, ছবিতে দেবী যেন দাঁড়িয়ে না থাকেন। পুরাণ মতে, এর অর্থ হল, লক্ষ্মী তাড়াতাড়ি বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাবেন। দীর্ঘ সময়ে ধরে তাঁর আশীর্বাদ থাকবে না গৃহে।
০৯ / ১০
অন্য দিকে দেবীর বসে থাকা অবস্থার ছবি কিনলেও খেয়াল করবেন, তিনি যেন তাঁর বাহন পেঁচার উপরে না বসে থাকেন। এর অর্থও কিছুটা তাই। বাহনের পিঠে বসে আছেন মানে তিনি দ্রুত ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার জোগাড়।
১০ / ১০
পদ্মের উপর অধিষ্ঠাত্রী দেবী লক্ষ্মী যে ছবিতে আশীর্বাদের ভঙ্গিতে বসে রয়েছেন। সেই ছবিই একমাত্র ঘরে আনা শুভ বলে মনে করে বাস্তুশাস্ত্র। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
