চাঁপাইনবাবগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় দেশীয় অস্ত্রসহ মতিউর রহমান মতি নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে সদর উপজেলার বারঘোরিয়া-যাদুপুর সড়কের স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পুলিশের একটি দল স্লুইস গেট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি ধারালো হাসুয়া, একটি কান্তা, দুটি লোহার রড ও তালা কাটার একটি যন্ত্রসহ মতিউরকে গ্রেপ্তার করে।’
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পর মতিউরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আসাদুল্লাহ/আজহার/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের মধ্যে পাঁচজন শরীয়তপুরের
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচজন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে বনপাড়া এলাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা এবং ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাট এলাকার সামাদ ফকির ও পালেরচর এলাকার শাহিন।
আরও পড়ুন
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।
দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল, নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা ব্যবসায়িক কাজে নাটোরে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
একই উপজেলায় পাঁচজনের এমন মৃত্যুতে তাদের পরিবারগুলোতে শোকের মাতম চলছে। প্রিয়জনদের হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন স্বজনেরা। পুরো এলাকায় বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ বলেন, আমরা বিষয়টি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারবো।
বিষয়টি জানতে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বিধান মজুমদার/অন্তরা/
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে নন্দনকাননে পদ্মফুলের গোলচত্বর নির্মান
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে নির্মিত হয়েছে পদ্মফুলের নকশায় গোলচত্বর।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে চসিকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন।
সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপনের দাবী জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
পদ্মফুলের নকশা ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত গোলচত্বরটি নগরীর সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৌদ্ধ দর্শনে পদ্মফুল পবিত্রতা, প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের প্রতীক। ফলে বৌদ্ধ বিহারের সামনে এ স্থাপনা নির্মাণের মধ্য দিয়ে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতিফলনও ঘটেছে।
চট্টগ্রাম বহুদিন ধরেই ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের জন্য পরিচিত। এ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনের পদ্মফুলের গোলচত্বর সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন।
নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় চসিকের এ উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অংশ। একই সঙ্গে এটি নগরীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জনপরিসরে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
ইফতেখারুল ইসলাম/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
২১ দিনের ব্যবধানে ডেঙ্গুতে দুই ছেলেকে হারিয়ে নিঃস্ব বাবা-মা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->দুই সন্তানকে নিয়ে সুখের সংসার ছিল বাবুল হক ও নাজমিন আক্তার দম্পতির। বড় ছেলে নাজমুল হাসান ইফতি (২৪) ও ছোট ছেলে ইমতিসার হাসান ইয়াস (১৬) । দুই ছেলেকে ঘিরেই ছিল মা-বাবার স্বপ্ন। কিন্তু মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে ডেঙ্গু কেড়ে নিয়েছে তাদের সন্তানদের। এখন সন্তানের স্মৃতি নিয়েই দিন কাটছে বাবুল-নাজমিন দম্পতির।
তারা রাজধানী মিরপুরের ভাষানটেক এলাকায় থাকেন। বাবুল হক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার পদ থেকে অবসরের পর একই বাহিনীতে বেসামরিক পদে চাকরি করছেন। তার স্ত্রী নাজমিন আক্তার গৃহিণী।
বাবুল-নাজমিন দম্পতির বড় ছেলে পড়তেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে। ছোট ছেলে ছিল আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন
তাদের গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার খোলাপাড়া এলাকায়। গ্রামের বাড়িতে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে দুই ভাইকে। একটু পর পর সন্তানদের কবর দেখতে ছুটে যাচ্ছেন তাদের বাবা-মামা।
তারা জানান, দীর্ঘ ২৬ বছরের দাম্পত্য জীবনে দুই ছেলে ঘিরেই ছিল তাদের পৃথিবী।
গত ২১ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে মারা যায় তাদের ছোট ছেলে ইয়াস। তখন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন বাবা বাবুল হক। ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পরও মা-বাবাকে আগলে রেখেছিলেন বড় ছেলে ইফতি। কিন্তু ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর ঢাকায় ফেরার পর হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয় বড় ছেলে ৷ তার শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। এদিকে বাবুল হক সুস্থ হয়ে উঠলেও ২১ দিনের ব্যবধানে গত ১২ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বড় ছেলে। মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন মা-বাবা।
নাজমিন আক্তার বলেন, ‘দুই ছেলেকে নিয়ে আমাদের সাজানো সুখের সংসার। পুরো বাড়ি খুশিতে মাতিয়ে রাখত তারা। কিন্তু ডেঙ্গু আমার সাজানো পরিবার ও আদরের সন্তানদের নিয়ে গেল। এই পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকার আর কোনো অবলম্বন রইল না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ছেলেরা বড় হলেও আমার সঙ্গে ছিল তাদের গভীর সখ্যতা। শুধু ঘুমানোর সময় ছাড়া প্রায় সব সময়ই আমার কাছাকাছি থাকত তারা।’
বাবুল হক একটু পর পর বাড়ির পাশে দুই সন্তানের কবরে গিয়ে ডাকছেন। তিনি বলেন, ‘যাবার কথা আমার, আমিই বেঁচে আছি, চলে গেল সন্তানরা। আমি আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। পরে আমার ছোট ছেলে আক্রান্ত হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সন্তানদের বাঁচানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা ও চিকিৎসা করিয়েছি। কিন্ত তাদের বাঁচাতে পারিনি।’
রনি মিয়াজী/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
সৈয়দপুরে প্রধানমন্ত্রী, হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের জানালেন শুভেচ্ছা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ এএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে রংপুরে যাওয়ার সময় বাস থেকে হাত নেড়ে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে একনজর দেখতে সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বাস থেকে হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
আরও পড়ুন
সফরসূচি অনুযায়ী, রংপুর নগরীর রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে মন্দিরটি পরিদর্শন শেষে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে সেখান থেকে বিমানে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার। রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণের পর দুপুর দেড়টার দিকে ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। পরে রাজশাহী থেকে বিমানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাময়িক বিশ্রাম শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। সফর নির্বিঘ্ন করতে বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরহাদ হোসাইন/অন্তরা/
