দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১০১টি আম ও বরইগাছ কেটে বাগান ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছে পাঁচজনের বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী তারা মিয়া।
গত ২০ অক্টোবর উপজেলার ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউনিয়নের পদুমহার মৌজায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সেদিনই নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তারা মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তারা মিয়ার পৈতৃক জমির পাশেই বন বিভাগের প্রায় ৫০ শতক জমি রয়েছে। প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে অভিযুক্তদের বাবা মঙ্গল উরাও ওই জমি তারা মিয়ার বাবার কাছে বিক্রি করেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর থেকে তারা মিয়া জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রায় দুই বছর আগে নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে ওই জমিতে কাটিমন জাতের আমের চারা রোপণ করে। পাশাপাশি তারা মিয়াও তাঁর পৈতৃক জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফলদ গাছ লাগিয়ে নিয়মিত পরিচর্যা করছিলেন।
সম্প্রতি বন বিভাগের ওই জমি নিজেদের দাবি করে অভিযুক্তরা দখলের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাঁরা জমিতে প্রবেশ করে ৪৭টি আমগাছের চারা ও ৫৪টি ফলন্ত বরইগাছ কেটে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন তারা মিয়া।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছগুলো কাটা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এতে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।
অভিযুক্তরা হলেন পদুমহার গ্রামের সোমা উরাও (৫০), অর্জুন উরাও (৩৭), শিরিন সরেন (৩০), ফুলমতি উরাও (৪৫) ও সুমন উরাও (২২)।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা মিয়া।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, মাহমুদপুর ইউনিয়নে আম ও বরইগাছ কাটার বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএ
