আইপিও ছাড়াই পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ
প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও ছাড়াই পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ চালু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানি, বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ সুযোগ পাবে।
জার্নাল ডেস্কপ্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও ছাড়াই দেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির দুয়ার খুলল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এই আদেশ অনুযায়ী, সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে—
-
সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন বা সরকারের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানাধীন কোম্পানি;
-
যে কোম্পানিতে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানা রয়েছে এবং কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের অন্তত ১০ শতাংশ সরকারের মালিকানায় রয়েছে;
-
সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন বা বিদেশিদের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানাধীন কোম্পানি;
-
সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী অন্তত ৫০০ কোটি টাকা নিট সম্পদমূল্যের তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বিমা কোম্পানি;
-
বছরে অন্তত ১ হাজার কোটি টাকা টার্নওভার রয়েছে—এমন কোম্পানি;
-
কমিশনে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি বা ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি; এবং
-
কমিশন ঘোষিত যোগ্য কোম্পানি।
২০০৬ সালে সরাসরি তালিকাভুক্তির পদ্ধতি চালুর পর থেকে শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ও পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো হলো—ডেসকো, পাওয়ার গ্রিড, যমুনা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও তিতাস গ্যাস। বেসরকারি কোম্পানিগুলো হলো—শাইনপুকুর সিরামিকস, এসিআই ফর্মুলেশনস, নাভানা সিএনজি, ওশান কনটেইনার্স ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি।
এর আগে ২০০৩ সালে বিশেষ বিবেচনায় বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ সিমেন্টকে সরাসরি তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম
