প্রকাশিত: ২১:২০, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ আপডেট: ২১:২৬, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সন্ধ্যায় মিছিল বের করেন সিজেপির নেতাকর্মীরা
শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে ‘তেরঙা ওড়াও’ (পতাকা উত্তোলন) মিছিলের সময় বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এর আগে দিল্লি পুলিশ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিত দিপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নেহা বোরাকে আটক করেছে।
বিক্ষোভকারীরা বিকেলে জড়ো হলে পালিকা বাজারের ২ নম্বর গেটের কাছে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পুলিশ কর্মীরা তাদের পতাকা ছিঁড়ে ফেলেছেন। এছাড়া, নিরাপত্তা কর্মীদের পোশাকে নামফলক (নেমপ্লেট) না থাকা নিয়েও তারা প্রশ্ন তোলেন। এর আগে, সেন্ট্রাল পার্কের চারপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কনট প্লেস ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় দুই হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।
এর আগে, দিল্লি পুলিশ অভিজিত দিপকের কাছে একটি নোটিশ পাঠায়। এতে শহরের কনট প্লেস শপিং সেন্টারের সেন্ট্রাল পার্কে বিকেল ৫টায় নির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তা করোল বাগে এনসিপি (এসপি)-র এক নেতার বাড়িতে অবস্থানরত অভিজিতের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাকে এই মার্চ কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার নোটিশ দেন। দিপকে নোটিশটি গ্রহণ করলেও মিছিল বাতিল করতে রাজি হননি। সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশ এবং সেখানে ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি করার প্রতিবাদেই এই মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ জনসাধারণকে এই জমায়েত থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কনট প্লেস ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
সন্ধ্যার দিকে দিল্লিতে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ককরোচ জনতা পার্টির শত শত সমর্থক ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা জাতীয় পতাকা হাতে আকস্মিক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীরা যখন তাদের অগ্রযাত্রা রুখতে মানববলয় তৈরি করে রাখা সিআরপিএফ সদস্যদের দিকে ঠেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন প্রায় এক ডজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
