বঙ্গোপসাগরে নতুন করে লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগামী শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় লঘুচাপটি সৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী সময়ে এটি আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে, কয়েকটি বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দিলেও, সেটি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে কিনা, এখনো নিশ্চিত নয়।
এ দিকে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে ভারতের তামিলনাড়ু উপকূলের অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় নতুন করে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী সময়ে এটি আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, মিয়ানমারসংলগ্ন থাইল্যান্ড উপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ। এটি বৃহস্পতিবারের মধ্যে আন্দামান সাগরে প্রবেশ করতে পারে। এরপর শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে বিভিন্ন আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা কতটা?
সম্ভাব্য নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতের পূর্ব উপকূলের দিকে যেতে পারে। এ সময় এটি আরো শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কয়েকটি বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাসে সম্ভাব্য নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে এটি শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কিনা, এখনো নিশ্চিত নয়। একইভাবে, সম্ভাব্য নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় কোন উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে, নির্ধারণের জন্য আরো পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
ফলে এ মুহূর্তে বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
