আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এ অনিয়মের অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে শুক্রবার ফের দিল্লির রাজপথে নামল বাম দল ও ছাত্র সংগঠনগুলি। সেন্ট্রাল দিল্লি থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তর পর্যন্ত যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই বিক্ষোভকারীদের আটক করে পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে বেআইনিভাবে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই অভিযোগে আজ বিক্ষোভ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল বামপন্থী সংগঠনগুলি। আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বেশ কিছু ছাত্র সংগঠনেরও। তবে নির্ধারিত এলাকায় বিএনএসএস-এর ১৬৩ নম্বর ধারা জারি থাকায় চার বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ ছিল। ফলে বিক্ষোভকারীদের মিছিল নির্বাচন কমিশন দপ্তরের দিকে এগোতেই পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়। কিছু আন্দোলনকারী পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে এগোনোর চেষ্টা করলে তাঁদের আটকও করা হয়।
'পিপল এগেইনস্ট এসআইআর'-এর দিল্লি সমন্বয় কমিটির আহ্বানে এই মিছিলটি গোল ডাকখানার কাছে কালীবাড়ি মার্গ ও ভাই বীর সিং মার্গের ক্রসিং থেকে শুরু হয়। এই প্রতিবাদ মিছিলে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিল 'ক্রান্তিকারী যুব সংগঠন' (KYS) এবং 'স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া' (SFI)। দিল্লি, হরিয়ানা ও পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ থেকেও বহু কর্মী-সমর্থক মিছিলে যোগ দেন।
আয়োজকদের তরফে কৃষক, শ্রমিক, যুবক, মহিলা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে জাতীয় পতাকা হাতে এই মিছিলে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তাঁদের দাবি ছিল, আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রাখা হবে।
প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে বাংলা সাহিব গুরুদ্বারের আশপাশে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। প্রচুর পরিমাণে দিল্লি পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সও (RAF) মোতায়েন করা হয় আজ।
মিছিলের জন্য সেন্ট্রাল দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত যান চলাচলে পরিবর্তন করা হয়। বাংলা সাহিব গুরুদ্বার, কনট প্লেস, পার্লামেন্ট স্ট্রিট এবং যন্তর মন্তর সংলগ্ন এলাকায় যানজটেরও সৃষ্টি হয়।
