স্টাফ রিপোর্টার : ইঞ্জিন-সংকটে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। বুধবার সকালে ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হওয়ায় চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করেন ৭০ থেকে ৮০ জন ক্ষুব্ধ যাত্রী।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটির ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা রেলের যাত্রী ভোগান্তির প্রতিবাদে স্লোগান দেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে যুক্ত করায় এপরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে যাত্রীদের স্টেশন ব্যবস্থাপকের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। সেখানে ব্যবস্থাপককে না পেয়ে তারা ‘রেলের যাত্রী ভোগান্তি, চলবে না চলবে না’ বলে স্লোগান দেন।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। কিন্তু ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছায়। পরে ওই ট্রেনের ইঞ্জিন প্রস্তুত করে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে যুক্ত করতে বিলম্ব হয়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ইঞ্জিনের সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রা প্রায়ই ব্যাহত হচ্ছে। ইঞ্জিন-সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান স্টেশনমাস্টার।
