ঢাকা মহানগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম তদারকিতে ২০টি বিশেষ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় গঠিত এসব কমিটির প্রতিটিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা নেতৃত্ব দেবেন।
সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় ঢাকা মহানগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদার, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১০টি জোনাল কমিটি গঠন করা হবে। দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকাগুলোকে এসব জোনের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কমিটিগুলোতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা, মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং দুই সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মেডিকেল উইংয়ের প্রতিনিধিরা থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি কমিটিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাখারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
২০টি জোনাল কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে একটি উচ্চপর্যায়ের তদারকি কমিটি গঠন করা হবে। এতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
জোনাল কমিটিগুলো সরেজমিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, খালের সীমানা চিহ্নিতকরণ ও খননকাজ তদারকি এবং মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
এ ছাড়া সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএম/
