দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার মতো দক্ষ কর্মী তৈরির আহ্বান জানিয়েছন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি বলেন- সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও অসংখ্য গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে তারপরও কেন দেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান এমনকি বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনার জন্য বিদেশি কর্মী আনতে হবে-এ প্রশ্নও তোলেন রাষ্ট্রপতি।
আরও পড়ুন
সাক্ষাৎকালে ড. মো. সবুর খান রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টির নিজস্ব পেটেন্ট উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে, যা গবেষকদের উদ্ভাবনসমূহের পেটেন্ট অধিকার ও বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা, প্রডাকশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড, ফিশারিজ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন কর্মমুখী বিষয়ে শিক্ষা দিচ্ছে। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বিভিন্ন র্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি শুনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। প্রতিনিধি দলে আরো ডয়লেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এম কবির, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাষ্টিবোর্ডের সদস্য ড. মো. ইমরান হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাসুম ইকবাল, একাডেমিক এফেয়ার্সের ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল,ও রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী প্রমুখ।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, সচিব এ জে এম সাল্হাউদ্দিন নাগরী ও প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন ।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
কন্যাশিশু দিবসে এক দিনের উপাচার্য শীতল, স্বপ্নপূরণে শিক্ষার বার্তা
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকার উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শীতল। তবে তার এই দায়িত্ব গ্রহণ কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; এর মধ্য দিয়ে উঠে আসে কন্যাশিশুর শিক্ষা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব বিকাশের গুরুত্ব।
রবিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের প্রতীকী দায়িত্ব গ্রহণ করে শীতল। কন্যাশিশুদের স্বপ্ন দেখা, নিজেদের সক্ষমতা বিকশিত করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করার বার্তা দিতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কন্যাশিশুর শিক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে শীতলের। দিনব্যাপী এমন প্রতীকী দায়িত্ব পালনে ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘শিক্ষার সত্যি কোনো বিকল্প নেই, আর এই মুহূর্তে আমাদের হাতে যে সময়টুকু আছে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। স্যারের দেওয়া উপদেশ ও শিক্ষাগুলো আমি আজীবন মনে রাখব। নিজের পড়াশোনা শেষ করে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানোর জন্য আজ নিজেকে আগের চেয়েও অনেক বেশি সংকল্পবদ্ধ মনে হচ্ছে।’
আরও পড়ুন
এ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘শীতলের মতো প্রতিটি কন্যার স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার দরজা খোলা রাখতে হবে। তাদের কথা শুনতে হবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্বের সুযোগ দিতে হবে। কন্যাশিশুর শিক্ষা ও অধিকারে বিনিয়োগ একটি সমতাপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ার ভিত্তি।’
উল্লেখ্য, কন্যাশিশুদের অধিকার সুরক্ষার বার্তা নিয়ে ১১ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। ২০১২ সালে যাত্রা শুরু করা এই দিবসটি আজ বিশ্বব্যাপী কন্যাদের এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বছরের আন্তর্জাতিক ও জাতীয় কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’, যা শিশুবিয়ে বন্ধ এবং কন্যাশিশুদের ক্ষমতায়ন ও সম্ভাবনা বিকাশে জাতীয় অঙ্গীকারকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে।
আরিফ জাওয়াদ/এসএন
আরও পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন (এসপিএফ)-এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আতসুশি সুনামি।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ৫৪তম সমাবর্তন সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আতসুশি সুনামিকে সম্মানসূচক ডক্টর অব ল’জ ডিগ্রি প্রদান করা হবে।
সমাবর্তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ট্রাস্ট ফান্ডের অন্যতম দাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশিদকে সম্মানসূচক ডক্টর অব সায়েন্স ডিগ্রি প্রদান করা হবে। একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের আলোকে সিন্ডিকেটের এক সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আরও পড়ুন
এছাড়া, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাবর্তনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভাপতিত্বে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সিনেট সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান এমপি, খায়রুল কবির খোকন এমপি এবং এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন এমপিসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও অফিস প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
৫৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সভায় একটি নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সমাবর্তন অনুষ্ঠান উদযাপনে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি সফলভাবে সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে উপ-কমিটিসমূহকে অনতিবিলম্বে কাজ শুরু করার আহ্বান জানান।
শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্যও তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, ২০ নভেম্বর ২০২২ তারিখ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল অর্জনকারী গ্র্যাজুয়েট ও পদকপ্রাপ্তগণ ৫৪তম সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীদের আবেদন কার্যক্রম আগামী ০১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ থেকে শুরু হবে এবং ৩০ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে শেষ হবে।
আরিফ/এএফ
আরও পড়ুন
এসইউবিতে ‘ইন্সপাইরিং টিচার’ সম্মাননা পেলেন অধ্যাপক ড. এম এ রশিদ
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর (এসইউবি) আয়োজনে এ বছর ‘Inspiring Teacher’ হিসেবে বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম এ রশিদ।
শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষকতা পেশায় তার দীর্ঘদিনের অবদান এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিক্ষার্থীকে অনুপ্রাণিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসকে ঘিরে এসইউবি ক্যাম্পাসে ছিল শ্রদ্ধা, সম্মান ও উদযাপনের আবহ। দিনের শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য ছিল বিশেষ চমক। প্রত্যেক শিক্ষকের টেবিলে শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা কার্ড ও ফুল দিয়ে তাদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন
দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় বিশেষ আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠান।
এতে উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. হাসান কাউসার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (ডেজিগনেটেড) অধ্যাপক ড. কে এস সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
আলোচনা সভায় উপাচার্য, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার এবং শিক্ষকদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্যে শিক্ষকতার মর্যাদা ও দায়িত্ব, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা এবং দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকসমাজের অবদানের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষকদের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল অধ্যাপক ড. এম. এ. রশিদকে ‘Inspiring Teacher’ সম্মাননা প্রদান। শিক্ষা ও গবেষণায় তার দীর্ঘ পথচলা, শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করা এবং দেশের ফার্মেসি শিক্ষায় তার অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এসইউবির পক্ষ থেকে তার হাতে এ বিশেষ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষক কেবল শ্রেণিকক্ষে জ্ঞান প্রদান করেন না; শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো, মূল্যবোধ গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতের পথ দেখানোর ক্ষেত্রেও একজন শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষকতার সেই অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এসইউবির এ বিশেষ উদ্যোগ।
শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষকতার স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে ওঠে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
রবি-দৃষ্টি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->যুক্তি, মেধা ও মুক্তচিন্তার প্রতিযোগিতায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে রবি-দৃষ্টি ডিবেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার ফাইনালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে আইএসইউ।
রবি আজিয়াটা পিএলসির পৃষ্ঠপোষকতায় দৃষ্টি চট্টগ্রাম আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় সারাদেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রামের ৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
আরও পড়ুন
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল, ‘এই সংসদ দুর্বল ব্যাংকগুলোকে রাষ্ট্রীয় সহায়তায় বাঁচানোর পরিবর্তে তাদের ব্যর্থ হতে দেবে।’ এ বিতর্কে সরকারি দল হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিরোধী দল হিসেবে আইএসইউ অংশ নেয়।
যুক্তি, বিশ্লেষণ ও পাল্টা যুক্তির প্রাণবন্ত লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় আইএসইউ। চ্যাম্পিয়ন দলের তিন সদস্য—রাহি রহমান, লিখন সরকার ও সাকিব হাসান সিফাত। পাশাপাশি ফাইনালে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ বক্তার সম্মাননা অর্জন করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী লিখন সরকার।
এদিকে, স্কুল পর্যায়ের ফাইনালে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি উচ্চ বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ।
ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির (আইএসইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খান চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই অর্জন আইএসইউ পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। শিক্ষার্থীদের মেধা, যুক্তিনির্ভর চিন্তা, বিশ্লেষণী দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে এ সাফল্যে। আশা করি, এ অর্জন তাদের ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীকেও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাক্সেনটেক পিএলসির জেনারেল ম্যানেজার (করপোরেট বিজনেস অপারেশনস) আরিফ আহমেদ চৌধুরী, দৃষ্টি চট্টগ্রামের উপদেষ্টা ছাইফুল হুদা ছিদ্দিকী, চট্টগ্রাম জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি বৃজেট ডায়েস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান, দৃষ্টি চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ বকুল, সাবেক সভাপতি সাইফ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের সহসভাপতি নাসির উদ্দিন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অতিথিরা বিজয়ী দল ও বিতার্কিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
বিজ্ঞপ্তি/
