সংবাদ · সাধারণ
দর্শকের ভালোবাসায় প্রিয় হয়ে উঠেছেন ইয়াশ-বাসার
২৪/১০/২০২৬

বাংলাদেশের
নাট্যাঙ্গনে সময়ের সঙ্গে নিজেদের অভিনয়দক্ষতা ও স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলী দিয়ে দর্শকের মনে
জায়গা করে নিয়েছেন ইয়াশ রোহান ও খায়রুল বাসার। একের পর এক নাটকে অভিনয় করে দুজনেই নিজেদের
অভিনয়ের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি হয়ে উঠেছেন এই প্রজন্মের দর্শকের পছন্দের অভিনেতা।জিয়াউল
ফারুক অপূর্ব ও আফরান নিশোর পর সিয়াম, তৌসিফ, নিলয় আলমগীর, জোভান, ইরফান সাজ্জাদসহ
একাধিক অভিনেতা নিজেদের অভিনয় দিয়ে নাট্যাঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায়
বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতাদের মধ্যে ইয়াশ রোহান ও খায়রুল বাসারও নিজেদের মেধা, শ্রম
ও অভিনয়গুণে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন।ইয়াশ
রোহান নাটকের পাশাপাশি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ইমরাউল রাফাতের ‘কাবিননামা’
নাটকে তার অভিনয় দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। এর আগে একই নির্মাতার ‘ওয়ারিশ’ নাটকেও ইয়াশের
অভিনয় ছিল আলোচিত। অভিনয়শিল্পী বাবা-মায়ের সন্তান ইয়াশ ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের পরিবেশে
বেড়ে উঠেছেন। সময়ের সঙ্গে অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা ও নিষ্ঠা তাকে আরও পরিণত অভিনেতা
হিসেবে গড়ে তুলেছে।অন্যদিকে
খায়রুল বাসারও নাটকের পাশাপাশি সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মুহাম্মদ মোস্তফা
কামাল রাজের ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নতুন করে দর্শকের
নজর কেড়েছেন। তার ভরাট কণ্ঠ, অভিব্যক্তি ও সংলাপ উপস্থাপনের ধরন দর্শকের মধ্যে আলাদা
গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে।সাম্প্রতিক
সময়ে খায়রুল বাসারের অভিনীত ‘ভেজা চোখ’, ‘অভিযান’, ‘ডিয়ার ফ্যামিলি’ ও ‘পথহারা মন’
নাটকগুলোও দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি ভালো গল্প ও নির্মাণের প্রতিও
গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।অভিনয়
জীবনে নিজেদের বর্তমান অবস্থান নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট—এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়াশ রোহান বলেন,
‘সত্যি বলতে কী, আমি একটুও সন্তুষ্ট না। আমি আরও অনেক দূর যেতে চাই। এখনো অনেক পথ পাড়ি
দেওয়া বাকি। আমি মনে করি, এখনো আরও অনেক কিছু অর্জন করা বাকি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি।
জানি না কতটুকু করতে পারব।’খায়রুল
বাসার বলেন, ‘নিজের অবস্থান কী, সেটা জানি না। তবে আমার মনে হয়, এখন অনেকেই জানেন যে
এই ছেলেটা অভিনয় করে। আমার মনে হয়, আমি কিছু ভালো কাজ করেছি। তবে এই কাজের সংখ্যাটা
আরও বাড়ুক। সত্যি বলতে কী, আমার সবসময় মনে হয় আমাদের আরও ভালো পরিচালক ও নাট্যরচয়িতা
দরকার। তাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য আরও ভালো প্রযোজক দরকার। কারণ আমার মনে হয়, ভালো পরিচালক
ও নাট্যকার বাড়লে আমাদের আরও ভালো কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। আর সবসময়ই আমি আশা রাখি,
যেন ভালো কাজ করার সুযোগ পাই।’
অভিনয়ের
প্রতি এই দুজনের নিষ্ঠা ও ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে তাদের আরও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে দর্শকের
সামনে হাজির হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে—এমনটাই প্রত্যাশা তাদের ভক্তদের।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗