Published on
:
1 min read
এই সময়, মধ্যমগ্রাম: জলাভূমি নষ্ট করে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মধ্যমগ্রাম পুর এলাকার দোহারিয়া। রবিবার নির্মীয়মাণ একটি আবাসন প্রকল্পের কাজ সরাসরি আটকে দিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির স্থানীয় নেতৃত্ব। ঘটনায় শাসক দল ও পুরসভার ভূমিকা নিয়ে যেমন আঙুল উঠেছে, তেমনই বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে টাকা দাবি করার পাল্টা নালিশ ছুড়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জমির মালিক।
বিজেপির মধ্যমগ্রাম মণ্ডল ২-এর সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ কুণ্ডুর অভিযোগ, দোহারিয়া সংলগ্ন এলাকায় নিকাশি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী প্রাকৃতিক জলাশয়গুলিকে পরিকল্পনা করে নিশানা করা হচ্ছে। প্রথমে আবর্জনা ফেলে সেগুলিকে মজে যাওয়া জমিতে পরিণত করা হয়, পরে সুযোগ বুঝে তুলে দেওয়া হয় প্রোমোটারদের হাতে। সন্তোষ হালদার নামের এক ব্যক্তি একটি পুকুর বুজিয়ে বহুতল তৈরি করছিলেন বলে দাবি তুলে এ দিন দলীয় কর্মীদের নিয়ে কাজ বন্ধ করিয়ে দেন তিনি। পাশাপাশি নিকটবর্তী আরও একটি জলাশয় ভরাটের চেষ্টার বিরুদ্ধে মহকুমা শাসক, বিডিও এবং পরিবেশ দপ্তরে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে গেরুয়া শিবির।
যদিও যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করে জমি মালিক সন্তোষ হালদার স্পষ্ট জানান, জমিটি সরকারি নথিতে কোনও ভাবেই জলাশয় নয়, বরং ‘বাস্তু’ শ্রেণিভুক্ত। তিনি দাবি করেন, ‘বৈধ নথি মেনেই জমিটি কেনা হয়েছে। বিজেপির লোকজন সম্প্রতি মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছিল। তা দিতে অস্বীকার করায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে কাজে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে।’ প্রশাসন তলব করলে সমস্ত কাগজপত্র জমা দেওয়ার চ্যালেঞ্জও ছুড়েছেন তিনি। তোলাবাজির এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বিজেপি নেতৃত্বের সাফ জবাব—প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ্যে আনা হোক। সব মিলিয়ে দোহারিয়ার জমি বিতর্ককে ঘিরে এলাকায় প্রশাসনিক নজরদারির দাবি তীব্র হচ্ছে।
