কুমিল্লায় জামায়াত নেতার গাড়ি ভাঙচুর, এবি পার্টি নেতাকে অব্যাহতি
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ এএম
বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানী। ছবি: খবরের কাগজ
-->কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মাহবুবর রহমানের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এবি পার্টির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবি পার্টি কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক জনাব গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে তার পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হল। কেন তাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবেনা সেমর্মে অবিলম্বে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।’
আরও পড়ুন
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি এবি পার্টির নাম, পদবি বা প্রতীক ব্যবহার করে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা কিংবা দলের পক্ষে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দিতে পারবেন না। এ সময়ে তার কোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের দায় এবি পার্টি বহন করবে না। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অন্তর্র্বতীকালীন সময়ের জন্য কুমিল্লা মহানগর শাখা দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নির্ধারণ করবেন।
এবি পার্টি রাজনৈতিক শিষ্টাচার, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধে যুক্ত হওয়া বা পক্ষাবলম্বন দলের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি। এ বিষয়ে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর গাংচর এলাকায় মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ের সামনে বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল মু. মাহবুবর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনাকে প্রথমে মহানগর জামায়াতের আমীর নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বলা হলেও পরে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মহানগর এবি পার্টির আহবায়ক গোলাম সামদানীসহ কয়েকজন ব্যক্তি জামায়াত কার্যালয়ের সামনে আসেন।
এরপর সামদানী একাই জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মাহবুবর রহমানের গাড়ি ভাংচুর করতে থাকেন। পরে তাকে তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিবৃত করেন।
ওই রাতেই এ ঘটনা নিয়ে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হওয়া সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে বুধবার রাত ৭ টার দিকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ে পূর্ব নির্ধারিত একটি সভা চলছিল। এরই মধ্যে কিছু যুবক প্রোগ্রামে ঢুকে হইচই করে। এ সময় তারা শোর চিৎকার করে চলে যাওয়ার সময় আমাদের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে। আমরা ঘটনা তদন্ত করে দেখছি। এর পিছনে কারা জড়িত বা তারা এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কেন ঘটালো এসবের বিস্তারিত জেনে আমরা পুনরায় সংবাদ মাধ্যমকে অবহিত করব।’
জহির শান্ত/আজহার/
আরও পড়ুন
নেত্রকোনায় ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহেরবাংলা ইউনিয়নের জঙ্গল থেকে রোকন মিয়া (৪০) নামে এক ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত রোকন মিয়া সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের গিটুরপাড়া গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে জেলা শহরের কুরপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
আরও পড়ুন
পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে রোকন মিয়া প্রতিদিনের মতো ইজিবাইক নিয়ে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে সিংহেরবাংলা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের বুইদার জঙ্গল নামক স্থানে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রোকন মিয়ার পরিচয় শনাক্ত করেন। তবে তার ইজিবাইকটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের হাত-পা ও মুখ স্কচটেপে পেঁচানো ছিল এবং চোখের কোণে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর ইজিবাইকটি ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।
ওসি আরও জানান, এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা ও মামলা করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তাররের চেষ্টা চলছে।
সঞ্জয় সরকার/অলি/
আরও পড়ুন
শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিএনপি নেতা নিহত
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মাদারীপুরের শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শহিদুল ইসলাম শহীদ ( ৫৮) নামে বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শিবচর পৌরসভার কলেজ মোড়সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি শিবচর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।
আরও পড়ুন
নিহত শহিদুল ইসলাম উপজেলার বাশকান্দি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃর্জারচর চেয়ারম্যান কান্দি এলাকা মরহুম এনসান উদ্দিন মৃধার ছেলে। সে দীর্ঘদিনধরে শিবচর পৌরসভার বরহামগঞ্জ কলেজ এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পরে পায়ে হেঁটে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন শহিদুল ইসলাম শহীদ। এ সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে সড়কে পড়ে যান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় জড়িত মোটরসাইকেলটি জব্দ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
শিবচর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী বলেন, ‘শহিদ আমাদের দলের একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘নামাজ শেষে পায়ে হেঁটে পৌর বাজারের দিকে যাওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলামের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মোটরসাইকেলটি জব্দ করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে শিবচর পৌর বাস টার্মিনালে ও বেলা ১১টায় তার নিজ বাড়ি উপজেলার বাশকান্দি ইউনিয়নের মৃর্জার চর চেয়ারম্যান কান্দিতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থান তাকে দাফন করা হবে।
রফিকুল ইসলাম/অলি/
আরও পড়ুন
গাজীপুরে মাদককারবারিদের ছাড়িয়ে নিতে ফাঁড়িতে হামলা, ২ পুলিশ সদস্য আহত
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম
আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদকসহ আটক দুইজনকে ছিনিয়ে নিতে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ফারুক হোসেন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এটিএসআই নূরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আশিকুর রহমান। তাদের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
এসআই ফারুক হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনের ২নং প্ল্যাটফর্ম থেকে ইয়াবাসহ নারী-পুরুষকে আটক করে রেলওয়ে ফাঁড়িতে আনা হয়। এ সময় তাদের আটকের খবর পেয়ে আসামিদের ছিনিয়ে নিতে অন্য মাদককারবারিরা একযোগে সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সময় ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হলেও হামলাকারীরা রামদা, চাপাতি দিয়ে দরজা, জানালায় আঘাত করে। একপর্যায়ে তাদের হামলায় ফাঁড়ির এটিএসআই নূরুল ইসলাম মাথায় এবং কনস্টেবল আশিক হাতে গুরুতর আঘাত পান। পরে তাদের উদ্ধার করে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই মাদককারবারি আটকের ঘটনায় মাদক আইনে ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আরও একটি মামলাসহ দুটি মামলা করা হবে। ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
পলাশ প্রধান/অলি/
আরও পড়ুন
সীমান্তে ২ পুলিশ সদস্যকে আটক করে বিএসএফের হাতে দিল ভারতীয়রা
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৪ এএম
আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৫ এএম
ব্রাহ্মণপাড়া থানা। ছবি: খবরের কাগজ
-->কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ায় দুই পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি এলাকার ২০৫৯ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
আটক দুই পুলিশ সদস্য হলেন- ব্রাহ্মণপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান। তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন।
আরও পড়ুন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার একটি টহল দল সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দলটি আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক মাদককারবারি ভারতের সীমান্তের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। তাকে ধরতে ধাওয়া করেন কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান।
একপর্যায়ে রোহিত সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে গেলে সেখানে থাকা কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক তাকে আটক করেন। পরে তাকে ছাড়াতে এগিয়ে গেলে এএসআই ইমরান হোসেনকেও আটকে রাখা হয়। এরপর ভারতীয় নাগরিকরা দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফের হাতে তুলে দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘মাদককারবারিকে ধাওয়া করতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে দুই পুলিশ সদস্য ভারতের অভ্যন্তরে চলে যান। পরে ভারতীয় নাগরিকরা তাদের আটক করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেন।’
তিনি আরও জানান, দুই পুলিশ সদস্যকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জহির শান্ত/অলি/
