আগামী এপ্রিল থেকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা ও কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান এবং স্কুলে খাবার পরিবেশনের কাজে আবারও বিদেশি কর্মী নেয়ার পরিকল্পনা করছে জাপান সরকার।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ দিন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ প্যানেলের এক বৈঠকে সরকার এ পরিকল্পনা তুলে ধরে। ডিসেম্বরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে পরিকল্পনাটি অনুমোদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের জন্য টাইপ-১ আবাসিক মর্যাদার আওতায় খাবার পরিবেশন খাতকে রেস্তোরাঁ শিল্পের বিভাগ থেকে খাদ্য ও পানীয় উৎপাদন বিভাগে স্থানান্তর করা হবে।
গত এপ্রিলে রেস্তোরাঁ শিল্প বিভাগে টাইপ-১ আবাসিক মর্যাদাধারী বিদেশি কর্মীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৫০ হাজারের সীমার কাছাকাছি পৌঁছানোয় সরকার এ বিভাগে নতুন বিদেশি কর্মী নেয়া স্থগিত করে। তবে হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে খাবার পরিবেশনের কাজে কর্মীর সংকট আরও বেড়েছে।
রেস্তোরাঁয় কাজের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হলেও খাবার পরিবেশনের কাজে মূলত উপকরণ প্রস্তুত ও রান্নার মতো কাজ করতে হয়। এ কারণে সরকার খাবার পরিবেশনের কাজকে খাদ্য ও পানীয় উৎপাদন বিভাগের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
খাদ্য ও পানীয় উৎপাদন বিভাগে বিদেশি কর্মী নেয়ার সর্বোচ্চ সীমা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০। জুলাইয়ের শেষ নাগাদ এ বিভাগে কর্মীর সংখ্যা ছিল নির্ধারিত সীমার ৭৬ শতাংশ। কৃষি মন্ত্রণালয়ের ধারণা, নতুন করে কর্মী নেয়ার পরিকল্পনা এ বিভাগের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না।
এ ছাড়া বয়স্কদের সেবাখাতে টাইপ-১ আবাসিক মর্যাদাধারী বিদেশি কর্মী নেয়ার সর্বোচ্চ সীমা ২০ হাজার বাড়িয়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯০০ করার পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে পুরো খাতের জন্য সর্বোচ্চ সীমা ১ লাখ ৬০ হাজার ৭০০-ই রাখা হবে।
সরকার ২০২৮ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত সব বিভাগে বিদেশি কর্মী নেয়ার সর্বোচ্চ সীমা ১২ লাখ ৩১ হাজার ৯০০-তে অপরিবর্তিত রাখতে চায়। এর মধ্যে থাকবেন টাইপ-১ আবাসিক মর্যাদাধারী ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ কর্মী এবং আগামী এপ্রিলে চালু হতে যাওয়া দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতাধীন ৪ লাখ ৬ হাজার ৫০০ কর্মী।
সূত্র: জাপান টাইমস
