শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে দেশে শুরু হচ্ছে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি। ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটি ভোগ করবেন। এ সময় বন্ধ থাকবে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ার বাজার ও আদালত।
তবে, জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। যারা ছুটির আওতায় থাকবেন না—
- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা।
- হাসপাতাল, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
- চিকিৎসক, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কর্মী ও যানবাহন।
- জরুরি দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সরকারি অফিস।
- ব্যাংক ও আদালতের সীমিত কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্টের পৃথক নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
- বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে নির্ধারিত হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০ থেকে ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ অক্টোবর মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে, ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি এবং ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় মোট পাঁচ দিনের বিরতি মিলছে।
এর আগে, ছুটি সমন্বয়ের অংশ হিসেবে ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। গত ৫ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকায় এ পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
