দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: অক্টোবর ২২, ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
১১৫ মাস ধরে নারায়ণগঞ্জ কার্যালয় নেই ক্ষমতাসীন দলের বিএনপির। ১৭ ফেব্রæয়ারিতে সরকার গঠনের পর নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতাদের কপাল খুললেও বিএনপি কার্যালয়ের দরজা খুলেনি। বরং জেলা বিএনপির আহবায়ক সিদ্ধিরগঞ্জে একটি অফিসে খোলা হলেও স্থানীয় এমপির দখলের অভিযোগ উঠে।
ক্ষমতার ৮ মাসেও জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতারা হোসিয়ারি সমিতি, ঘরে, হোটেলে সড়কে সভা সমাবেশ করেছে। দীর্ঘ এ সময়ে তাদের নেওয়া হয়নি কোনো সমন্বিত অস্থায়ী কার্যালয়ও।
নেতারা বলছেন, কার্যালয় নিতে উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিএনপিকে কেউ কার্যালয় ভাড়া দিতে চাচ্ছে না। তবুও তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন একটি দলীয় কার্যালয় ভাড়া নেওয়ার জন্য।
অন্যদিকে ভেঙ্গে ফেলা বিএনপি অফিসে আবারো কার্যালয় করার উদ্যোগ নেয়া হয় নাসিকের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপি আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি উদ্যোগ নিলেও এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি।
বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ জেলা পরিষদের প্রশাসক, যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান দীপু নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি ও আরেক যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব এনডিএ চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন।
২০১৭ সালের মার্চ মাসে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি কার্যালয়টি ভেঙে দেওয়া হয়। কার্যালয়টি না ভাঙতে আদালতে মামলা করেছিল বিএনপি। সে মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) জয়ী হয়। বর্তমানে সেখানে বহুতল ভবন তৈরি হয়েছে। বলা হয়েছে, সেটি সম্পন্ন হলে সেখানে বিএনপির অনুরূপ কার্যালয় বুঝিয়ে দেবে নাসিক। অথচ সেই কার্যালয়ের স্থানেই চলছে দোকান বরাদ্দের কাজ।
মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু দুজনেই আইনজীবী হওয়ায় বিগত সরকার আমলে তাদের চেম্বারেই আপাতত রাজনৈতিক কাজ পরিচালনা করছে মহানগর বিএনপি। অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মার্কেটের তৃতীয় তলায় নিজস্ব কার্যালয়টি রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করেন। সেখানে তিনি তার অনুগত নেতাকর্মীদের নিয়ে বসে দলীয় বৈঠক ও সভা করেন।
এরপর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে একটি স্থানে জেলা বিএনপি এবং হোটেল ও হোসিয়ারি সমিতিতে মহানগর বিএনপির কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
