
এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া | সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:০২
ছবি সংগৃহীত।
নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা পোষা বিড়ালকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এই অমানবিক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এক বিড়াল মালিক।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা ১ নম্বর ওয়ার্ড কাজির পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী সামশুল আলম বিড়ালটিকে অত্যন্ত যত্নে লালন-পালন করছিলেন। ঘটনার দিন সকালে সামশুল আলম তার পালিত ছাগল বাড়ির পেছনে খালি চারণভূমিতে বেধে দিতে গেলে বিড়ালটি পেছন পেছন চল যায়। এ সময় প্রতিবেশী ফরিজা বেগম পালিত কুকুর তার বিড়ালকে কামর দেয়ার চেষ্টা করলে সামশুল আলম কুকুর টিকে ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেন। এতে ফরিজা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি হাতে নিয়ে এসে বিড়ালটিকে এলোপাতাড়ি পেটায়। এতে বিড়ালটি গুরুতর আহত হয়ে মারা যায়। ঘটনার সাথে সাথে বিড়াল টিকে উদ্ধার করে চকরিয়া পশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিড়ালটি কে মৃত ঘোষণা করেন।
বিড়ালের মালিক সামশুল আলম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,সে শুধু একটা বিড়াল ছিল না,ও আমার পরিবারের একজন সদস্যের মতো ছিল। কোনো অপরাধ ছাড়াই ওকে এভাবে নিষ্ঠুরভাবে মেরে ফেলা হলো। আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই, যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর কোনো অবলা প্রাণীর ওপর এমন অত্যাচার করার সাহস না পায়।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন,একটি বিড়ালকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যার বিষয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের ‘প্রাণীকল্যাণ আইন,২০১৯’ অনুযায়ী অবলা প্রাণীর ওপর নিষ্ঠুরতা দণ্ডনীয় অপরাধ।
রামুতে জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধ খুন

কামাল শিশির, রামু | সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৪৩

ছবি সংগৃহীত।
কক্সবাজারের রামুতে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে নজির আহমদ (৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর পুত্রবধু নাতি ও সন্তানদের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গর্জনিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নজির আহমদ ওই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নজির আহমদের সঙ্গে তাঁর পুত্রবধূ, নাতি ও সন্তানদের বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে, এ ঘটনায় গর্জনিয়াপাড়া এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে দিন-দুপুরে দুই দফা ডাকাতি

রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি | সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৪০

ছবি সংগৃহীত।
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের হিমছড়ি ঢালায় এক দিনে দুই দফা ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ও দুপুরে পৃথক এ ঘটনায় যাত্রীদের মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৬টা ২৫ মিনিটের দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাতায়াতের সময় মোহাম্মদ তারেক নামে এক যাত্রী ডাকাতির শিকার হন। তিনি রামু উপজেলার ঈদগড় এলাকার বাসিন্দা। তাঁর অভিযোগ, ডাকাতরা তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে ওই স্থানে আবারও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঈদগড় মুক্তি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টিং কর্মকর্তা আবদুল হাকিমসহ কয়েকজন ডাকাতের কবলে পড়েন। তাঁদের মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
একই স্থানে এক দিনে দুই দফা ডাকাতির ঘটনায় সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে পরপর এমন ঘটনার খবরে সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ঈদগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডাকাতদের শনাক্ত ও আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
চকরিয়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী

এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া: | সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:২৬

ছবি সংগৃহীত।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কক্সবাজারের চকরিয়া থানাধীন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, পিপিএম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, পিপিএম, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ. এন. এম. সাজেদুর রহমান, পিপিএম-সেবা, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল আজিজ এবং চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁরা পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নে উদযাপন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সম্প্রীতিময় পরিবেশে উদযাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
