ছবির ক্যাপশন: .
আনিছ রহমান । বিশেষ প্রতিবেদক
অবশেষে ভেনিস পুলিশ অভিনেত্রী বাঁধনের উপড় হামলাকারীদের গ্রেফতারে তৎপর হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের তীব্র প্রতিক্রিয়া, পররাষ্ট্র নীতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা স্টীল ও ভিডিও ডকুমেন্টস এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মাঠে নেমেছে ভেনিস পুলিশের বিশেষ শাখা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) ইতালির জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘ইল গাজ্জেত্তিনো’ এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে। সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইতালি প্রবাসী কর্মীদের দিকে অভিযোগ তুলে শারীরিক লাঞ্ছনা ও হামলার কথা জানান বাঁধন। এসময় তিনি আশঙ্কা করেছিলেন তাকে হত্যা করা হতে পারে।
বাঁধনের উপড় হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজনীতি ও দেশী শিল্পাঙ্গনে। তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন- সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, এনসিপি নেতা সারজিস আলম, অভিনেত্রী পরীমণি,প্রিয়া জান্নাতুল, জাকিয়া বারী মম, সাফা কবির, সাদিয়া জাহান প্রভা,শাহরিয়ার নাজিম জয় সহ আরও অনেকে। বাংলাদেশ সরকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনের মধ্যে ডেপুটি স্পিকার, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, তথ্য উপদেষ্টা সহ আরও অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। বিভিন্ন লেখক, ব্লগার ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাঝ থেকেও এসেছে নিন্দা, পরামর্শ ও কড়া সমালোচনার ঝড় । তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান মনে করেন এই ঘটনার মাধ্যমে আওয়ামীলীগ প্রমাণ করেছে তারা রাজনৈতিক দল নয়। তার মতে আওয়ামীলীগ একটি মাফিয়া গ্রুপ।
ইতিমধ্যে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে বাঁধনকে সর্বাত্বক সহযোগীতা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এই হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ইতালি সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জহরত আদিব চৌধুরী পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি তুলে ধরেন। এসময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ইতালিতে অভিনেত্রীর ওপর হামলা অমার্জনীয়-নিন্দনীয় অপরাধ। এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। নির্মমতার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এতে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন- যারা নারীদের উপর আক্রমন করে তারা কাপুরুষ,বাঁধনের উপর হামলা একটি ঘৃণ্য অপরাধ। সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেন-ফ্যাসিবাদের সফট পাওয়ারকে স্পেস দিচ্ছে কারা ? বাঁধনের জন্য খারাপ লাগে! ৩২ নম্বরের জন্য খারাপ লাগেনা? প্রশ্ন তুলেন সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল। আলোচিত ইন্টেরিম উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন-ইতালির মেস্ট্রেতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে ‘শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হবে তাদের। নবনিযুক্ত বিটিভির মহাপরিচালক কাজী জেসিন বলেন- তারা এখনও জোড় করে জয় বাংলা বলাতে চায়। আওয়ামীলীগ রক্তে,গন্ধে ও বর্ণে সন্ত্রাসী। অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় তার ভেরিফাইড পেইজে লিখেন -দেশে এবং বিদেশে দলমত নির্বিশেষে সকল শিল্পীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী রইল। মব কে সমর্থন করিনি। কখনো করবোওনা। আর কোন শিল্পী বিপদে পড়লে সহ শিল্পী হিসেবে আপনি হাইসেন না। আপনার বেলায় যারা হেসেছিল তারাও অন্যায় করেছিল। কোথাও না কোথাও থামতে হয়। শিল্পীরা ঐক্যবদ্ধ থাকুন। শিল্পীদের ঐক্যবদ্ধ রাখুন। শিল্পাঙ্গনের সকলের অনুপ্রেরণা এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাঁধন। হামলা সম্পর্কে অভিনেত্রী জানান হামলাকারীরা তার শরীরে হাত দিয়েছে, কানের কাছে আঘাত করেছে, মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছে এবং জুলাই যোদ্ধা বলতে বলতে উপর্যপরি আঘাত করেছে। অভিনেত্রী আরও জানান আমি অবশ্যই জুলাই যোদ্ধা, ইয়েস আই এম। আমি জুলাই যুদ্ধ করেছি এবং আমি এই হামলার শেষ দেখে ছাড়ব। আমি মোটেও ভীত নই। জানা গেছে ইতালীয় রাষ্ট্রদূতের সহযোগীতা নিয়েই তিনি দ্বারস্থ হয়েছেন ভেনিস পুলিশের। স্থানীয় আওয়ামীলীগ কর্মী মাদারীপুর জেলার বাসিন্দা ইতালি প্রবাসী মনিরুল সহ অন্যান্যদের আসামী করে ভেনিস পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী বাঁধন। এদিকে বাংলাদেশে মব হামলায় ভাঙচুর করা হয়েছে মনিরুলের ভিটেবাড়ী। ইতিমধ্যে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে তার পরিবার পরিজন। ইতালিতে হামলা ও হেনস্তার শিকার অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এখন নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক। মঙ্গলবার ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। এদিকে সহানুভূতি ও রিয়েলিটি ফ্যাক্ট নিয়েও বলেছেন বিভিন্ন লেখক ও বিশিষ্টজনেরা। তাদের মতে আজ বাঁধনের জন্য যে ন্যায়বিচার চাওয়া হচ্ছে, সেই একই ন্যায়বিচার সাংবাদিক মুন্নী সাহা, রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সার, অভিনেতা সিদ্দিক, ভাবনা, মেহের আফরোজ শাওন, নুসরাত ফারিয়া, ডা: দিপু মণি, মমতাজ সহ আরও অসংখ্য নারীরা যারা ইতিমধ্যে মবের শিকার হয়েছেন তাদের সবার জন্য (রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে) চাইতে হবে। কারণ ন্যায়বিচার যদি শুধু নিজের জন্য চাওয়া হয় তাহলে সেটি ন্যায়বিচার নয়, সেটি কেবল সুবিধাবাদ। মবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হলে সকল মবের বিরুদ্ধেই দাঁড়াতে হবে। অন্যথায়, আপনি আওয়ামিলীগ পিটিয়ে দেশছাড়া করবেন, এরপর আওয়ামিলীগের ভয়েই আর বিদেশে যাইতে পারবেন না। তাতে আপনার লাভের চেয়ে লসই বেশি হবে। ইতিপূর্বেও ক্ষমতাসীনদের অনেকের সাথেই বিদেশে এধরনের কার্য আরও ঘটেছে। বিশেষকরে ইন্টেরিম টাইমে খোঁদ প্রধান উপদেষ্টার সামনেই হয়েছে। শেষে কিইবা হয়ছে? বাঁধনেরটাও কি তাই হবে? আমাদের বুঝতে হবে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার রাজনীতি শেষ পর্যন্ত প্রতিশোধের এক অন্তহীন চক্র তৈরি করে ।
এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন লেখক মহিউদ্দিন মোহাম্মদ। ৮ সেপ্টেম্বর তিনি তার ভেরিফাইড পেইজে লিখেন - আমি অসংখ্যবার প্রতিশোধের চক্র বিষয়ে সতর্ক করেছি। ৫ আগস্টের আগেও বলেছি, পরেও বলেছি। জুলাইয়ে কেউ ধানমণ্ডি ৩২ ভাঙার ম্যান্ডেট দিয়েছিলো? পঙ্গু ছাত্রলীগ কর্মী মাসুদকে পিটিয়ে মারার ম্যান্ডেট দিয়েছিলো? মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভাঙার ম্যান্ডেট দিয়েছিলো? গোপালগঞ্জে শেখ মুজিবের সমাধি গুঁড়িয়ে দিতে যাওয়ার ম্যান্ডেট দিয়েছিলো? সেখানে ৬ জনকে গুলি করে হত্যার ম্যান্ডেট দিয়েছিলো? আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার ম্যান্ডেট দিয়েছিলো? দেয়নি।
তাহলে এ জিনিসগুলো কেন ঘটলো? কারা ঘটালো? আমরা বারবার বলে এসেছি, আওয়ামী লীগ একটি পুরাতন ও বৃহৎ দল। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি অভিযোগ আছে, তাদেরকে ফেয়ার ট্রায়ালে ফেলে বাকিদের জন্য স্বাভাবিক রাজনীতি উন্মুক্ত করে দিতে। কিন্তু করা হলো উল্টোটা। সমাজে আওয়ামী লীগ পরিচয়কে ভয়াবহ মাত্রায় 'আদার্ড' করা হলো। কল্পনাতীত মব-ভায়োলেন্স ও আইনী-সহিংসতার শিকার হলো আওয়ামী লীগ কর্মীরা। হাজার হাজার ছাত্রলীগ কর্মীর ছাত্রজীবন শেষ করে দেওয়া হলো। অথচ জুলাইয়ে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের বড় অংশই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছিলো। বিরুদ্ধে ছিলো বলেই তারা নীরব ছিলো। সরকার বাঁচাতে রাস্তায় নামেনি।
কিন্তু তারা যদি জানতো, উপরের জিনিসগুলো ঘটবে, কেউ ঘরে বসে থাকতো? থাকতো না। আন্দোলনে মৌন সমর্থন দিতো? দিতো না। অসংখ্য পুলিশ অফিসারের ছেলে-মেয়ে রাস্তায় ছিলো। বিনিময়ে কী পেলো? তারা দেখলো যে, আন্দোলনে ঘাপটি মারা রাজাকাররা অসংখ্য পুলিশ অফিসারকে বিভৎসভাবে হত্যা করেছে।
দুর্ভাগ্যের বিষয়, বিএনপি উপরের কোনো ঘটনারই বিচার করেনি। উল্টো অভিযোগ আছে, ধানমণ্ডি ৩২ ভাঙায় তারা বুলডোজার সরবরাহ করেছে। এই একটি ঘটনাই জুলাইপরবর্তী রাজনীতি নষ্ট করে দিয়েছে। তার উপর নজিরবিহীন মব-সন্ত্রাস, মাজারে হামলা, মুক্তিযুদ্ধের উপর কল্পনাতীত আঘাত, এ বিষয়গুলো দেশবাসীকে কল্পনাতীত মাত্রায় ভয় পাইয়ে দিয়েছে। জুলাইপক্ষী কোটি কোটি সাধারণ মানুষ প্রতারিত বোধ করেছে। এই সাধারণ মানুষগুলো ছাড়া, বিএনপি বা জামাত, কেউই আওয়ামী লীগের সামনে কোনো বড় শক্তি ছিলো না। ১৭ বছর কে আওয়ামী লীগের কোন লোমটা ছিঁড়তে পেরেছিলো, তা তো আমরা দেখেছি।
একটি দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর রাজনীতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে সে-দেশটি ভালোভাবে চালানোর খোয়াব আমরা কী করে দেখি? যাদেরকে এভাবে কর্নার্ড করা হলো, তাদের কাছ থেকে সভ্যতা ভদ্রতা, এসবই বা কী করে আশা করি? এখনও সময় আছে, হিলিংয়ের পথ খুঁজুন। ন্যাশনাল হিলিং। অন্যথায় আওয়ামী লীগ কর্মীরা জুলাই-ইনফ্লুয়েন্সারদের উপর প্রতিশোধ নিতেই থাকবে। পৃথিবীর যেকোনো কোণায় তারা 'লালবদর' তাড়া করে বেড়াবে।
একটা ব্যাপার খেয়াল করুন। আওয়ামী লীগ কিন্তু বিএনপির কাউকে আক্রমণ করে না, বিএনপির কাউকে লালবদরও বলে না। কারণ তারা জানে, বিএনপি তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিক প্রতিপক্ষ। বিএনপির কেউ পরিচয় লুকিয়ে আন্দোলনও করেনি। তাহলে তারা আক্রমণ করে কাকে? আজমেরি হক বাঁধনকে। আসিফ নজরুলকে। এবং এ ধরণের অজস্র মানুষকে, হোক তারা নারী বা শিশু। কারণ এই মানুষগুলো সমাজে আপোলিটিক্যাল বা বাইপার্টিসান ভাবমূর্তি বহন করতো। অথচ আমি নিজে পর্যন্ত স্তম্ভিত হয়ে গেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানজিম উদ্দিন খানের সাক্ষাৎকার পড়ে। প্রকাশ্য আন্দোলনকারী আর গোপন ষড়যন্ত্রকারী এক জিনিস নয়। আমি অত্যন্ত অবাক হয়েছি যে, শিক্ষক নেটওয়ার্ক নামক 'জাতির বিবেক' সংগঠনটির অনেক সদস্য মূলত কনস্পাইরেটর। তানজিম উদ্দিন তো সরাসরি স্বীকার করেছেন।
আপনি-আমি যতোই চাই, বাঁধনদের উপর আওয়ামী লীগের আক্রমণ আমরা বন্ধ করতে পারবো না। সামনে এটি কমবে না, বরং বাড়বে বলে আশঙ্কা করি। কারণ, পরাজিতের উপর বিজয়ীর যে-গ্রেস, সেটা আমরা দেখাতে পারিনি। আর আমরা যারা জাতির বিবেক, তারাই বা কোন মুখে আওয়ামী লীগকে সভ্য হওয়ার পরামর্শ দিই? দিলেই বা কী? তারা আমাদের কথা শুনবে কেন? দেশে অগণিত মানুষ বাঁধনের চেয়ে বহুগুণ জঘন্য হামলার শিকার হয়েছে, তাদেরকে আমরা ন্যায়বিচার দিতে পেরেছি? পারিনি। তাহলে বাঁধন ন্যায়বিচার পাক, এ কথাই বা কোন মুখে বলি? বললেই বা লাভ কী? যুদ্ধে লিপ্ত কোনো পক্ষকে কি সহজে বিচারের মুখোমুখি করা যায়? আজ আমরা যারা বাঁধনের ঘটনায় বুক ছাপড়িয়ে প্রতিবাদ করছি, কই, আমরা তো এর চেয়ে বহুগুণ জঘন্য ঘটনাগুলোয় বুক ছাপড়াইনি। সেগুলো আওয়ামী লীগ পরিচয়ের মানুষদের উপর ঘটেছিলো বলে? আওয়ামী লীগ বাদ দিন, দীপু চন্দ্র দাস বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাত খেতে যাওয়া তোফাজ্জল, বা কুষ্টিয়ার ঐ পীর, তারা তো আওয়ামী লীগ করতো না, তাদের হত্যাকাণ্ডের ক্রেডিবল তদন্ত ও বিচার হয়েছে? হয় নি।এলিয়েনেশন কখনো ভালো ফল বয়ে আনে না। যা ঘটছে ও ভবিষ্যতে যা আরও প্রবল মাত্রায় ঘটবে, তা থামানোর একমাত্র উপায় আওয়ামী লীগ কর্মীদের এলিয়েনেশন বন্ধ করা।
