স্মার্টফোনের নকশায় বিলাসবহুল উপকরণ ব্যবহারের জন্য পরিচিত ক্যাভিয়ার। প্রতিষ্ঠানটি এবার সংগ্রহে এনেছে নতুন আইফোন। ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেজারস’ নামের সংগ্রহে রয়েছে স্বর্ণ, প্লাটিনাম, অলংকার তৈরির এনামেল ও প্রাকৃতিক হীরায় সাজানো চারটি মডেল। এগুলোর দাম সর্বোচ্চ ৯০ হাজার ২৯০ ডলার।
অ্যাপলের নতুন ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আইফোন ডুয়োকে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে সংগ্রহটি। তবে ফোনগুলোর ভেতরের হার্ডওয়্যার ও কারিগরি বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। মূলত ফোনের বাইরের কাঠামো বদলে দামি উপকরণ ও বিশেষ নকশা যুক্ত করেছে ক্যাভিয়ার।
সংগ্রহের সবচেয়ে দামি মডেলটির নাম ‘ডালি’। ডিভাইসটির দাম ৯০ হাজার ২৯০ ডলার। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে তৈরি মডেলটির বাইরের অংশে রয়েছে অসম ও প্রবহমান রেখার নকশা। বিখ্যাত শিল্পী সালভাদর ডালির শিল্পকর্ম থেকে এ নকশার অনুপ্রেরণা নেয়া হয়েছে। স্বর্ণের নকশার ফাঁকে ব্যবহার করা হয়েছে বেগুনি রঙের এনামেল। পেছনে অ্যাপলের পরিচিত লোগোটি সাজানো হয়েছে ৩৬টি প্রাকৃতিক হীরা দিয়ে।
সংগ্রহের দ্বিতীয় মডেল ‘জিংতাই ব্লু’র দাম ৮০ হাজার ২৯০ ডলার। এতে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের কাঠামোর সঙ্গে রয়েছে ফুলের নকশা। নীল পটভূমির ওপর বিভিন্ন রঙের এনামেল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এর পেছনের অংশ। চীনের মিং রাজবংশের সময় বিকশিত ঐতিহ্যবাহী ‘জিংতাই লান’ এনামেল শিল্প থেকে এ নকশার অনুপ্রেরণা নেয়া হয়েছে।
অন্য দুই মডেল ‘কাসর আল নুর’ ও ‘ওমকারা’র দাম ৭৩ হাজার ডলার করে। কাসর আল নুর মডেলটি অন্যগুলোর তুলনায় আলাদা। কারণ এতে স্বর্ণের বদলে ব্যবহার করা হয়েছে ৯৫০ মানের প্লাটিনাম। গায়ে খোদাই করা নকশায় দেখা যায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রাসাদের স্থাপত্যশৈলীর অনুপ্রেরণা।
প্রতিটি ফোন কাঠ ও চামড়ায় তৈরি বিশেষ বাক্সে সরবরাহ করা হবে। বাক্সটি রাখা হবে তালাবদ্ধ একটি কেসে। কেসটির ওপর ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্রলেপ দেয়া থাকবে।
এর আগে ক্যাভিয়ার বাজারে এনেছে ক্যামেরাবিহীন বিশেষ সংস্করণের আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ডুয়ো। এ ধরনের পণ্যে ফোনের কারিগরি সক্ষমতার চেয়ে নকশা, উপকরণ ও সীমিত উৎপাদনের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। —খবর ও ছবি গিজমোচায়না
