রাজ্যের বন্ধ চা বাগানাগুলির শ্রমিকদের পুজোর উপহার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। যাঁরা এখনও কর্মহীন সেই শ্রমিকদের পরিবার পিছু অতিরিক্ত ৫০ কেজি চাল ও ৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা যে ৩৫ কেজি চাল পান, সেটি পাবেন। অতিরিক্ত ৫০ কেজি মিলবে। পুজোর মরশুমে অর্থাৎ দুর্গাপুজো থেকে ছটপুজো পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন বন্ধ চা বাগানের শ্রমিকরা।
২০২৩ সালে জানুয়ারি মাস থেকে উত্তরবঙ্গের ২১টি চা-বাগান বন্ধ রয়েছে। সেই চা বাগানগুলির মোট ১৯ হাজার ৫২৪ জন শ্রমিক কর্মহীন। তাঁদের জন্য বুধবার নবান্নে পুজোর উপহার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। জানালেন, যে কর্মীদের বয়স ৬০ বছরের কম। কিন্তু চা বাগানের বন্ধের জন্য কর্মহীন। তাঁদের অ্যাকাউন্টে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। লেবার বিভাগ এই অর্থ পাঠাবে। পাশাপাশি উৎসবের মরশুমে অতিরিক্ত ৫০ কেজি চাল দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “মানবিক সরকারের পক্ষ থেকে ছোট পদক্ষেপ। ১৯ হাজার ৫২৪ জনের অ্যাকাউন্টে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। পরিবার পিছু ৫০ কেজি চাল পাবেন তাঁরা। এঁরা বেতনই পাচ্ছেন না, বোনাসের প্রশ্ন নেই। তাই সরকার এই পদক্ষেপ নিল।”
এ দিন মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে আরও ৪৫ হাজার নিয়োগের ছাড়পত্র মিলেছে। চতুর্থীর দিনে রাজ্যের কর্মহীন যুবক-যুবতীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থদপ্তরের অনুমোদন মিলেছে দ্রুত সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মোট ৪৫ হাজার ১৮৫টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। তার মধ্যে টেকনিক্যাল এডুকেশন দপ্তরে ১৮৮৬ অফিসার ও ক্লার্ক নিয়োগ করা হবে। পুলিশে ডেপুটি কমিশনার, এসআই, এসআই, লেডি কনস্টেবল মিলিয়ে ৯৪৬টি পদে নিয়োগ হবে। পঞ্চায়েত ও গ্রামন্নোয়ণ দপ্তরে ৭১১৯টি নিয়োগ হবে। স্কুল এডুকেশন দপ্তপরে নিয়োগ হবে ৩৩১৯৯ পদে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজকের ক্যাবিনেটে ৪৫ হাজার ১৮৫টি পদে নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে অর্থদপ্তর। দ্রুতই নিয়ম মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।”
