The Sangbad · দেশ
শাহবাগে অবস্থানের ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের: লক্ষ্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও হাদি হত্যার বিচার
১৪/১০/২০২৬

শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবিতে রংপুরে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ১৮ ডিসেম্বর তারা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নেবেন এবং সেদিনই দেশের সার্বভৌমত্ব ও হাদি হত্যার বিচারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে রংপুর নগরীর লালবাগ এলাকায় আয়োজিত এই সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা।বিএনপি সরকারের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করুন। তবে ১৮ ডিসেম্বরের পর আমরা হাদি হত্যার বিচারে আর রাজপথে নামতে চাই না। কোন প্রক্রিয়ায় দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করবেন, সেই দায়িত্ব সরকারের।’ তিনি অভিযোগ করেন, কূটনীতির অজুহাতে যারা বিচার বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে, তারা পরোক্ষভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।সীমান্ত হত্যা ও দিল্লির প্রভাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা এখনো দিল্লির পরামর্শে চলছে। সীমান্তে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হলেও সরকারের শক্ত ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। ফ্যাসিবাদের অবসান ও ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জনগণ রাজপথে নেমেছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংসদে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হলে রাজপথের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আবারও সংসদ ভবনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।একই সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতা ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূরের ‘হু ইজ হাদি’ মন্তব্যের জবাবে জাবের বলেন, হাদিকে নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো কটূক্তি করা হলে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলা চত্বর ও পিলখানা গণহত্যার বিচারে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের জোরালো ভূমিকার অভাব রয়েছে। উল্টো আন্দোলনের নেতাদের নামে মামলা দেওয়া হচ্ছে। আবরার ফাহাদ, ইলিয়াস আলী থেকে শুরু করে হাদি হত্যার মধ্য দিয়ে ভারতে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া কণ্ঠগুলোকে থামানোর চক্রান্ত আর চলতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।সমাবেশে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক জাহিদ হাসান জয়সহ সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗