October 25, 2026, 7:39 pm
চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চারটি পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন
Reporter Name
- Update Time : Sunday, October 25, 2026
- 1 Time View
শিক্ষা ডেস্ক: দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন পরিবর্তনের অংশ হিসেবে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য মোট চারটি নতুন পাঠ্যবই অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির দুটি পৃথক সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও সংশোধন সাপেক্ষে বইগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে এর আগেই নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে এই বিশেষ পাঠ্যবইগুলো চালুর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা দুটি নতুন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবে, যার মধ্যে রয়েছে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ এবং ‘খেলাধুলা’ শীর্ষক দুটি আকর্ষণীয় পাঠ্যপুস্তক। অন্যদিকে, মাধ্যমিক স্তরে পা রাখা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্ত করা হয়েছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ এবং ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ নামক আরও দুটি নতুন বই। শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ, আনন্দময় শিখন এবং প্রাথমিক কারিগরি জ্ঞান অর্জনের বিষয়টি মাথায় রেখেই মূলত এই বইগুলো প্রণয়ন করা হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির প্রথম সভাটি অনুষ্ঠিত হয় চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যবই অনুমোদনের জন্য, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহারের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া সভায় প্রধান তথ্য কমিশনার ড. নাহরিন ইসলাম খান ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহসহ কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরাও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
অন্যদিকে, ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিতে আরেকটি পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যার সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালিক। এই সভাতেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন। নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদদের সম্মিলিত এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের পাঠ্যক্রমে আধুনিক ও যুগোপযোগী জ্ঞান সংযোজনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সংশ্লিষ্ট মহла আশা করছে, নতুন এই পাঠ্যবইগুলো শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে এবং পড়াশোনাকে আরও আনন্দদায়ক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com


