দুর্গাপূজায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩০০ নারী পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার। চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারদীয়া দুর্গোৎসবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৩০০ নারীকে নতুন শাড়ি দেয়া হয়েছে। শনিবার ১৭ অক্টোবর/২৬ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের টাউন ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে শাড়িগুলো বিতরণ করা হয়।
শাড়ি বিতরণ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোসাঃ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি।
এসময় তিনি সংক্ষিপ্ত বশাক্তব্যে বলেন— প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকল ধর্মকে সমান গুরুত্ব দেন। সকল ধর্মের মানুষ তাদের ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। কাজেই আপনারা সুন্দরভাবে যেন শারদীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী এই উপহার পাঠিয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একার পক্ষে কোনো কাজ করা সম্ভব নয়, তাই সকলের সহযোগিতায় এই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে একটি উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যে কোনো প্রয়োজনে তাকে বা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কিংবা অন্যা কোনো নেতার মাধ্যমে তার শরণাপন্ন হলে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন বলে জানান। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমেও দাবি-দাওয়া জানানোর জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন— সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. গোলাম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন, বিশেষ অতিথি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, আইনজীবী গোলাম কবির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান মুক্তা, সাবেক জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান অনু, সাবেক জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সেলিম রেজা, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জি এসময় বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মালম্বী নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন সংসদ সদস্য মোসাঃ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। এ সময় তিনি বলেন,শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী এ অনন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া উৎসবের আনন্দ। সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই মূল লক্ষ্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্য।
