আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার, শুভেচ্ছা পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে অনেকে নিজেদের প্রার্থিতার কথা জানান দিচ্ছেন।
এ পরিস্থিতিতে গাভা-রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে এমদাদুল হক সুমন মোল্লার নাম।
সুমন মোল্লা ঝালকাঠি সদর উপজেলা যুবদলের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক, গাভা-রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং একজন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। তিনি ইতোমধ্যে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এ লক্ষ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিলবোর্ড ও ফেস্টুন স্থাপনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করছেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তিনি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত সুমন মোল্লা ১৯৯৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত গাভা-রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ মেয়াদে বরিশাল সরকারি কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট—বর্তমান আলেকান্দা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষে (বিআইডব্লিউটিএ) প্রায় ১৯ বছর চাকরি করেন।
বর্তমানে ব্যবসার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবং ২০১৩ সাল থেকে ঝালকাঠি সদর উপজেলা যুবদলের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুমন মোল্লার বলেন, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে তিনি বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন।
সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে একাধিক রাজনৈতিক মামলার আসামি হন এবং দীর্ঘ সময় কারাগারেও ছিলেন বলে তিনি জানান।
গাভা-রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রমজানকাঠী গ্রামের একটি মুসলিম পরিবারের সন্তান সুমন মোল্লা স্থানীয় নেতাকর্মী ও বাসিন্দাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেন।
বিআলো/আমিনা