শিল্পপতি ইলন মাস্ক (বাঁ দিকে) ও আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)ছবি: X
Published on
:
1 min read
এই সময়: ভারতে তাঁর স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সংস্থা স্টারলিঙ্ক-এর পরিষেবা চালু হতে দেরি হওয়া নিয়ে সপ্তাহকয়েক আগেই মুকেশ আম্বানিকে তুলোধোনা করে ছিলেন ইলন মাস্ক। পরোক্ষে তাঁর অভিযোগ ছিল, রিলায়েন্স গোষ্ঠী প্রধান নরেন্দ্র মোদী সরকারের ঘনিষ্ঠ। তাই জিয়োর প্রস্তাবিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবসায় যাতে ‘ক্ষতি’ না হয়, সেই জন্যই মাস্কের সংস্থাকে ছাড়পত্র দিতে দেরি করছে নয়াদিল্লি।
পুরোনো কাগজের দিস্তা খুলে, ইন্টারনেটে বিস্তর ওয়েবসাইট ঘেঁটে ঘুঁটে ২০২২ সালের আল জাজ়িরা, ২০২৪ সালের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ প্রকাশিত খবরের স্ক্রিনশট নিজের এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন আম্বানি-কেন্দ্র সখ্য। যেখানে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর সঙ্গে লতায়-পাতায় সম্পর্ক থাকা (তাঁর দাবি অনুযায়ী) এক সংস্থার ফেসবুকে বিজেপি’র ক্যাম্পেনে ৩৮৫ কোটি টাকা ‘অনুদান’ দেওয়ার খবর ছিল।
এ বার সংবাদসংস্থা ব্লুমবার্গ দাবি করল, নভেম্বরে মিড-টার্ম ইলেকশনের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান শিবিরকে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ৪৪৫ মিলিয়ন ডলার (৪,২২৩ কোটি টাকা) অনুদান দিয়েছেন টেসলাকর্তা। ফেডেরাল ইলেকশন কমিশন ফাইলিং তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক অনুদানের ক্ষেত্রে হেজ় ফান্ড ম্যানেজার এবং ধনকুবের জর্জ সোরস’কে বেশ দূরত্বে রেখে তালিকায় পয়লা নম্বরেই রয়েছেন মাস্ক।
মনে রাখতে হবে, নিন্দুকদের দাবি ছিল, ২০২৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান শিবিরকে কমবেশি ৩০০ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় টাকায় ২,৯০০ কোটি টাকার আশেপাশে) ‘সাহায্য’ করেছিলেন টেসলাকর্তা ইলন মাস্ক। যে খবরের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করার ‘সাহস’ খোদ পোটাস বা তিনি, কেউই দেখাননি।
