প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, হামলা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে নয়টি অভিযোগ তুলে তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং ভোটকেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী; তবে দলটি জানিয়েছে, তারা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, হামলা এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে দলটি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর নেতৃত্বে দলটির একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে তার সাংবিধানিক ক্ষমতা কার্যকরভাবে প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামীর একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল গত ২৪ অক্টোবর ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে সুনির্দিষ্ট নয়টি অভিযোগ লিখিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে বিভিন্ন ছবি, আহত ব্যক্তিদের ছবি এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের আলোকচিত্রও কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের উত্থাপিত নয়টি অভিযোগ
১. ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে বিভিন্ন মোড়ে রঙিন ও প্রতীক-সম্বলিত পোস্টার ব্যবহার করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে জামায়াত।
২. হিন্দু ও সরকারি চাকরিজীবী ভোটারদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
৩. নির্বাচনী বিধিমালায় দুপুর ২টার আগে মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ের আগেই মাইক ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
৪. নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের সুবিধা দেওয়া নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ইউনিয়নে ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সরকারি চিকিৎসকদের ব্যবহার করে ভোটারদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
৫. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও মসজিদে সোফা সেট স্থাপন করে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াত। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার হয়েছে বলে জানানো হয়।
৬. ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করা এবং ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ্যে ওই প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ বিষয়ে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছে দলটি। তাদের মতে, এতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
৭. গত ২২ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও পৌরসভার আদর্শ স্কুলের সামনে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক আক্কাস আলী ভোটের গণসংযোগের সময় জামায়াতের চার নারী কর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তিনি জামায়াতের প্রার্থী সম্পর্কেও কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল কথাবার্তা বলেন বলে দাবি করা হয়।
৮. গত ২৪ অক্টোবর পৌরসভার হাজীপাড়ায় আমানতুল্লাহ ইসলামী একাডেমির পাশে জামায়াতের নারী কর্মী সায়মা আক্তারের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নির্বাচনী কাজে বের না হওয়ার হুমকি দেন পার্শ্ববর্তী বিএনপি নেতা ফরহাদ হোসেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর পিতা মৃত বজলার রহমান।
একই দিনে ভূল্লী উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নে জামায়াতের ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাসুদ রানার দোকানের সামনে ব্যারিকেড দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুলতান, বাবুল ও এক ভ্যানচালকের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাঁদের আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাদ্দাম, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাহফুজ, তাঁতীদলের জেলা সভাপতি আনোয়ার হোসেন (বাবুল মাস্টার), ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের নাঈমের বিরুদ্ধে। আহত ব্যক্তিরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানানো হয়।
এ ছাড়া সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বেংরোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কুতপার হাট কেন্দ্রের পাশে জামায়াতের কর্মীদের নির্বাচনী কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে বিএনপি কর্মী মাজেদুর রহমান, তাঁর পিতা মৃত দফির উদ্দীন; যুবদল সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, তাঁর পিতা আবদুর রহিম; যুবদল নেতা আব্দুল হামিদ (সাবেক মেম্বার) এবং সাজু, তাঁর পিতা ফজলুর বিরুদ্ধে।
৯. রুহিয়া উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের চতুরাখোর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় জামায়াতের অসংখ্য ব্যানার কেটে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে জনি পারভেজ মেম্বারের (প্যানেল চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে।
তিন দফা দাবি জামায়াতের
মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনটি দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলো হলো—
১. উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
২. নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে ভোটকেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যবস্থা গ্রহণ। জামায়াতের দাবি, অতীতের অভিজ্ঞতায় পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে সরকারি দলের নেতাদের অনুগত থাকে। অন্যদিকে, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা রয়েছে এবং তারা দায়িত্ব পালনে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ।
৩. সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিরপেক্ষতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন
প্রেস ব্রিফিংয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ওই কর্মকর্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বাসায় রাতে বৈঠক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী এলাকায় হামলা ও আহত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নারী-পুরুষসহ জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের ছবি ও অন্যান্য তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মীয় স্থানকে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার, নির্ধারিত সময়ের আগে মাইক ব্যবহার এবং রঙিন নির্বাচনী প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের মতো ঘটনা ঘটছে বলে তাঁদের কাছে তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর ভোটারদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন।
ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনী এলাকার কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোটারদের একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং তাঁরা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করলেই নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত হয় না; দায়িত্ব পালনকারীদের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক চাপের মুখে পুলিশ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। এ কারণে নির্বাচনী এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে।
মাগুরা উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ টানলেন গোলাম পরওয়ার
মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৯৯৪ সালের মাগুরা উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কোনো নির্বাচন বিতর্কিত হলে তার সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক পরিণতি হতে পারে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন যেন কোনোভাবেই মাগুরা উপনির্বাচনের মতো বিতর্কিত পরিস্থিতির দিকে না যায়, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি জানান, অভিযোগগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার পর কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনেছে এবং বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। তবে তাঁরা পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারেননি।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এখনো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি। দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী এবং তাদের প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। তবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনী আচরণবিধির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে।
জামায়াতের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং নির্বাচনী এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েন করা।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। অন্যথায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের সদস্য শরিফুল আলম জিন্নাহ এবং সাবেক সিনিয়র সচিব খ. ম. কবিরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
