৩০ হাজার টাকায় সেরা ৫ স্মার্টফোন
বাংলাদেশের বাজারে ৩০ হাজার টাকার বাজেটে বেশ কিছু স্মার্টফোন পাওয়া যায়। যেগুলোতে পাওয়া যায় ভালো ডিসপ্লে, শক্তিশালী প্রসেসর, উন্নত ক্যামেরা ও দ্রুত চার্জিংয়ের সুবিধা। তবে সব ফোনের শক্তির জায়গা এক নয়। কোনো ফোনে রয়েছে ভালো ক্যামেরা, কোনোটি গেমিংয়ের জন্য উপযোগী, আবার কোনোটি দৈনন্দিন ব্যবহার ও ব্যাটারি ব্যাকআপের দিক থেকে ভালো বিকল্প হতে পারে।
আপনার বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী ফোন বেছে নিতে সাহায্য করতে Samsung Galaxy M36, Redmi K60E, Xiaomi Mi 10S, iQOO Z11x এবং Redmi Note 14 Pro—এই পাঁচটি স্মার্টফোনের গুরুত্বপূর্ণ ফিচার, পারফরম্যান্স ও দাম তুলে ধরা হলো।
Samsung Galaxy M36
ডিসপ্লে সেকশন
Samsung Galaxy M36-এ ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৭ ইঞ্চির Super AMOLED ডিসপ্লে। এতে রয়েছে Full HD+ রেজল্যুশন ও 120Hz রিফ্রেশ রেট। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার, ভিডিও দেখা কিংবা দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে মসৃণ অভিজ্ঞতা। ডিসপ্লের সুরক্ষায় রয়েছে Corning Gorilla Glass Victus+।
ক্যামেরা
ফোনটির পেছনে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। এতে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরার সঙ্গে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। প্রধান ক্যামেরায় রয়েছে OIS বা অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন, যা ছবি তোলা ও ভিডিও করার সময় হাত কাঁপার প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। ফোনটিতে সর্বোচ্চ 4K রেজল্যুশনে ভিডিও ধারণ করা যাবে। সামনে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।
চিপসেট
Samsung Galaxy M36-এ ব্যবহার করা হয়েছে Exynos 1380 চিপসেট, যা ৫ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি। দৈনন্দিন কাজ, একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার এবং মাঝারি মাত্রার গেমিংয়ের জন্য এটি ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে। ফোনটিতে Android 15 ভিত্তিক সফটওয়্যার রয়েছে।
স্টোরেজ
ফোনটি ৮ জিবি RAM এবং ১২৮ জিবি ও ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজের সংস্করণে পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে সব ভ্যারিয়েন্ট সব সময় পাওয়া নাও যেতে পারে।
ব্যাটারি
ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০০০ mAh ব্যাটারি। চার্জ করার জন্য দেওয়া হয়েছে ২৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা। সাধারণ ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যাটারিটি যথেষ্ট হতে পারে।
ফোনটি কেন কিনবেন
যারা ভালো AMOLED ডিসপ্লে, OIS-সহ ক্যামেরা, 5G সংযোগ এবং Samsung-এর সফটওয়্যার অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য Galaxy M36 একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। তবে দ্রুত চার্জিংকে বেশি গুরুত্ব দিলে এর ২৫ ওয়াটের চার্জিং সুবিধা কিছুটা সীমিত মনে হতে পারে।
দাম: বাংলাদেশে আনঅফিশিয়াল বাজারে ফোনটির দাম প্রায় ২৯,০০০-৩০,০০০ টাকা। RAM ও স্টোরেজ ভেদে দাম পরিবর্তিত হয়।
Redmi K60E
ডিসপ্লে সেকশন
Redmi K60E-তে রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির OLED ডিসপ্লে। এতে 2K রেজল্যুশন, 120Hz রিফ্রেশ রেট, HDR10+ এবং Dolby Vision সাপোর্ট রয়েছে। ডিসপ্লের রেজল্যুশন বেশি হওয়ায় ছবি, লেখা ও ভিডিও তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট দেখায়। ডিসপ্লের সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে Corning Gorilla Glass Victus।
ক্যামেরা
ফোনটির পেছনে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা। প্রধান ক্যামেরায় OIS সুবিধা রয়েছে, যা ছবি ও ভিডিও ধারণের সময় স্থিরতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। সামনে রয়েছে ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।
চিপসেট
Redmi K60E-এর অন্যতম আকর্ষণ MediaTek Dimensity 8200 চিপসেট। ৪ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এই প্রসেসরটি গেমিং, মাল্টিটাস্কিং ও ভারী অ্যাপ চালানোর ক্ষেত্রে ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে। গ্রাফিকসের জন্য এতে রয়েছে Mali-G610 MC6 GPU।
স্টোরেজ
ফোনটি ৮ জিবি ও ১২ জিবি RAM এবং ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি ও ৫১২ জিবি স্টোরেজের বিভিন্ন সংস্করণে বাজারে এসেছে। এতে UFS 3.1 স্টোরেজ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত চীনা বাজারের ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায় এবং সংস্করণভেদে সুবিধার পার্থক্য থাকতে পারে।
ব্যাটারি
Redmi K60E-তে রয়েছে ৫৫০০ mAh ব্যাটারি। এর সঙ্গে ৬৭ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফলে বড় ব্যাটারি ও তুলনামূলক দ্রুত চার্জিং—দুই সুবিধাই পাওয়া যায়।
ফোনটি কেন কিনবেন
যারা গেমিং, উচ্চ রেজল্যুশনের ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী প্রসেসরকে অগ্রাধিকার দেন, তাদের জন্য Redmi K60E ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে এটি পুরোনো মডেল হওয়ায় কেনার আগে সফটওয়্যার আপডেট, ব্যাটারির অবস্থা এবং নেটওয়ার্ক ব্যান্ডের সামঞ্জস্য যাচাই করা উচিত।
দাম: বাংলাদেশে আনঅফিশিয়াল বাজারে ৮ জিবি RAM ও ১২৮ জিবি স্টোরেজের সংস্করণটির দাম ২৭,০০০-২৮০০০ টাকা হতে পারে। তবে কেনার আগে ফোনটি রিফার্বিশ নাকি নতুন সেটি নিশ্চিত হয়ে নেবেন।
Xiaomi Mi 10S
ডিসপ্লে সেকশন
Xiaomi Mi 10S-এ রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির AMOLED ডিসপ্লে। এতে Full HD+ রেজল্যুশন ও 90Hz রিফ্রেশ রেট রয়েছে। ডিসপ্লেটি HDR10+ সাপোর্ট করে, ফলে কনটেন্ট দেখার সময় রং ও কনট্রাস্ট ভালো পাওয়া যায়। ফোনটির সামনে ও পেছনে গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে।
ক্যামেরা
ফোনটির পেছনে রয়েছে চারটি ক্যামেরা। এতে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরার সঙ্গে ১৩ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড, ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো এবং ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ সেন্সর রয়েছে। প্রধান ক্যামেরায় OIS সুবিধা থাকায় ছবি তোলার সময় স্থিরতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। সামনে রয়েছে ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। ফোনটি দিয়ে সর্বোচ্চ 8K রেজল্যুশনে ভিডিও ধারণ করা যায়।
চিপসেট
Xiaomi Mi 10S-এ ব্যবহার করা হয়েছে Qualcomm Snapdragon 870 চিপসেট। এটি ৭ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এবং Adreno 650 GPU-সহ আসে। ফোনটি বাজারে আসার সময় ফ্ল্যাগশিপ পর্যায়ের পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি দিয়ে দৈনন্দিন কাজ ও অনেক গেম খেলা সম্ভব হলেও নতুন মডেলের তুলনায় সফটওয়্যার সাপোর্টের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা জরুরি।
স্টোরেজ
ফোনটি ৮ জিবি ও ১২ জিবি RAM এবং ১২৮ জিবি ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের সংস্করণে বাজারে এসেছে। এতে UFS 3.0 স্টোরেজ প্রযুক্তি রয়েছে। তবে বাংলাদেশে কোন সংস্করণ পাওয়া যাচ্ছে, তা কেনার আগে যাচাই করে নেওয়া ভালো।
ব্যাটারি
Xiaomi Mi 10S-এ রয়েছে ৪৭৮০ mAh ব্যাটারি। এতে ৩৩ ওয়াটের ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং, ৩০ ওয়াটের ওয়্যারলেস চার্জিং এবং ১০ ওয়াটের রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা রয়েছে। স্টেরিও স্পিকারও ফোনটির উল্লেখযোগ্য একটি ফিচার।
ফোনটি কেন কিনবেন
যারা ১০৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, শক্তিশালী প্রসেসর, স্টেরিও স্পিকার এবং ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের মতো সুবিধা চান, তাদের কাছে Xiaomi Mi 10S আকর্ষণীয় হতে পারে। তবে এটি ২০২১ সালের ফোন। তাই এতে নতুন কোনো সফটওয়্যার আপডেট পাওয়া যাবে না।
দাম: বাংলাদেশে আনঅফিশিয়াল বাজারে ৮ জিবি RAM ও ১২৮ জিবি স্টোরেজের সংস্করণটির দাম প্রায় ২৭,০০০-২৮,০০০ টাকা হতে পারে।
iQOO Z11x
ডিসপ্লে সেকশন
iQOO Z11x-এ রয়েছে ৬.৭৬ ইঞ্চির ডিসপ্লে, যার রিফ্রেশ রেট 120Hz। এতে Full HD+ রেজল্যুশন থাকায় ভিডিও দেখা, ওয়েব ব্রাউজিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে ভালো অভিজ্ঞতা পাওয়া যেতে পারে। তবে এটি AMOLED নয়; আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে।
ক্যামেরা
ফোনটির পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেলের অতিরিক্ত সেন্সর। সামনে দেওয়া হয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। সাধারণ ছবি তোলা, ভিডিও কল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশের জন্য ক্যামেরা সেটআপটি কাজে আসতে পারে।
চিপসেট
iQOO Z11x-এ ব্যবহার করা হয়েছে MediaTek Dimensity 7400 Turbo চিপসেট। এটি 5G সংযোগ সমর্থন করে এবং দৈনন্দিন কাজ, একাধিক অ্যাপ ব্যবহার ও গেমিংয়ের জন্য তৈরি। ফোনটি Android 16-ভিত্তিক OriginOS 6 সফটওয়্যারে চলে।
স্টোরেজ
ফোনটি ৬ জিবি ও ৮ জিবি RAM এবং ১২৮ জিবি ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের সংস্করণে পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে আমদানি করা সংস্করণ ও ভ্যারিয়েন্টের প্রাপ্যতা দোকানভেদে আলাদা হতে পারে।
ব্যাটারি
ফোনটির বড় আকর্ষণ ৭২০০ mAh ব্যাটারি। এতে ৪৪ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে। যারা দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করেন, ভিডিও দেখেন বা গেম খেলেন, তাদের জন্য বড় ব্যাটারি সুবিধাজনক হতে পারে।
ফোনটি কেন কিনবেন
বড় ব্যাটারি, 120Hz ডিসপ্লে, 5G সংযোগ এবং তুলনামূলক নতুন সফটওয়্যার চান—এমন ব্যবহারকারীদের জন্য iQOO Z11x বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে কেনার আগে এর ডিসপ্লের ধরন, চার্জিং গতি এবং বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ভ্যারিয়েন্টের ওয়ারেন্টি যাচাই করে নেওয়া ভালো।
দাম: বাংলাদেশে আনঅফিশিয়াল বাজারে ৮ জিবি RAM সংস্করণটির দাম প্রায় ৩০,০০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাবে।
Redmi Note 14 Pro 5G
ডিসপ্লে সেকশন
Redmi Note 14 Pro 5G-তে রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির AMOLED ডিসপ্লে। এতে 1.5K রেজল্যুশন, 120Hz রিফ্রেশ রেট, HDR10+ ও Dolby Vision সাপোর্ট রয়েছে। সর্বোচ্চ ৩০০০ নিট পিক ব্রাইটনেস এবং Corning Gorilla Glass Victus 2 সুরক্ষা ডিসপ্লেটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। ফোনটিতে IP68 রেটিংও রয়েছে, যা ধুলা ও পানি থেকে সুরক্ষা দেয়।
ক্যামেরা
ফোনটির পেছনে রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা। প্রধান ক্যামেরায় OIS সুবিধা থাকায় ছবি তোলা ও ভিডিও ধারণের সময় স্থিরতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। সামনে রয়েছে ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। ফোনটি দিয়ে সর্বোচ্চ 4K রেজল্যুশনে ভিডিও ধারণ করা যায়।
চিপসেট
Redmi Note 14 Pro 5G-তে ব্যবহার করা হয়েছে MediaTek Dimensity 7300 Ultra চিপসেট, যা ৪ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি। এতে রয়েছে Mali-G615 MC2 GPU। দৈনন্দিন কাজ, মাল্টিটাস্কিং, ছবি সম্পাদনা এবং মাঝারি থেকে ভারী গেমিংয়ের জন্য প্রসেসরটি ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে।
স্টোরেজ
ফোনটি ৮ জিবি ও ১২ জিবি RAM এবং ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি ও ৫১২ জিবি স্টোরেজের বিভিন্ন সংস্করণে বাজারে এসেছে। এতে UFS 2.2 স্টোরেজ প্রযুক্তি রয়েছে। বাংলাদেশে আমদানি করা সংস্করণ ও স্টোরেজভেদে দাম আলাদা হতে পারে।
ব্যাটারি
ফোনটিতে রয়েছে ৫১১০ mAh ব্যাটারি। চার্জ করার জন্য দেওয়া হয়েছে ৪৫ ওয়াটের ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং সুবিধা। সাধারণ ব্যবহার, ভিডিও দেখা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যাটারিটি ভালো ব্যাকআপ দিতে পারে।
ফোনটি কেন কিনবেন
যারা উন্নত ডিসপ্লে, উচ্চ রেজল্যুশনের প্রধান ক্যামেরা, OIS, IP68 সুরক্ষা এবং 5G সংযোগ চান, তাদের জন্য Redmi Note 14 Pro 5G একটি আকর্ষণীয় বিকল্প। তবে মনে রাখতে হবে, ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা থাকলেই সব পরিস্থিতিতে অন্য ফোনের তুলনায় ভালো ছবি পাওয়া যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
দাম: বাংলাদেশে আনঅফিশিয়াল বাজারে ৮ জিবি RAM ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের সংস্করণটির দাম প্রায় ২৮,০০০-২৯,০০০ টাকা হতে পারে।
আরও পড়ুন : ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় সেরা ৫ স্মার্টফোন
আরও পড়ুন : ৩০ হাজার টাকায় সেরা ৫টি মোবাইল
আরও পড়ুন : ইউটিউব থেকে আয়ের পথ কঠিন হচ্ছে, যোগ হচ্ছে নতুন যেসব শর্ত
