গাজীপুরের কাশিমপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টুন ও সুতার গোডাউনে লাগা আগুন ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিটের সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ২টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে; আগুন পাশের ডিবিএল গ্রুপের সুতার গোডাউনেও ছড়িয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের কারণও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টুন ও সুতার গোডাউনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে কাশিমপুর থানার পশ্চিম শৈলডুবী এলাকায় অবস্থিত সুপ্রিম গার্মেন্টসের গোডাউনে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রথমে পাঁচটি ইউনিট কাজ করলেও আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পর্যায়ক্রমে আরও তিনটি ইউনিট যুক্ত হয়। মোট আটটি ইউনিটের চেষ্টায় বেলা ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডের সময় সুপ্রিম গার্মেন্টসের গোডাউনে থাকা প্রচুর পরিমাণ খালি কার্টুনের কারণে আগুনের তীব্রতা বেড়ে যায়। একপর্যায়ে আগুন পাশের ডিবিএল গ্রুপের সুতার গোডাউনেও ছড়িয়ে পড়ে। এতে আশপাশের স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে একযোগে কাজ করেন।
কাশিমপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, প্রথমে কাশিমপুর মিনি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়লে সারাবো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে আরও তিনটি ইউনিট যোগ দেয়। পরবর্তী সময়ে আরও তিনটি ইউনিট যুক্ত হয়ে মোট আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। গোডাউনে প্রচুর পরিমাণ খালি কার্টুন থাকায় আগুনের তীব্রতা বেড়েছিল।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সাইদুল আলম চৌধুরী জানান, বেলা ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
তবে আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।
