নজরুল-সুইটির মধ্যে কী সম্পর্ক ছিল?
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে খবর ছড়িয়েছে- তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নজরুলের পরিবার। নজরুল ও সুইটির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদেরকে নবদম্পতি এবং হানিমুনে ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব গিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন পোস্টে প্রচার করা হয়। এ ছাড়া স্ত্রীর কপালে চুমু দেওয়ার অপরাধে তাদের দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলেও ফেসবুকের একাধিক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে নজরুল সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন এবং সুইটি তার স্ত্রী নয় বলে দাবি করেছেন তার মা রহিমা বেগম। এ ছাড়া নজরুল ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এবং তিনি ন্যায়বিচার ও আইনি সহায়তা পাননি বলেও দাবি করেন তার মা।
জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের আবদুল বাছির ও রহিমা বেগম দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে নজরুল ছিলেন বড়। সংসারের অভাব-অনটন দূর করতে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর সৌদি আরবে যান নজরুল। সেখানে মক্কা নগরীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ পান তিনি।
আরও পড়ুন
নজরুলের স্বজনরা জানান, সৌদি আরব যাওয়ার বেশ কয়েক মাস পরই কোনো একটি কারণে গ্রেপ্তার হন নজরুল। কারাগারে যাওয়ার এক মাস পর জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা।
নজরুলের মা রহিমা বেগম বলেন, ‘সৌদি আরব যাওয়ার পর প্রতিদিনই বাড়িতে ফোন করত নজরুল। কিন্তু হঠাৎ করে প্রায় এক মাস তার কোনো খোঁজ ছিল না। একদিন ফোন করে জানায় সে জেলে আছে। তবে কী কারণে জেলে, সে বিষয়ে কিছু জানে না বলেছিল। একদিন সে কাজে যাওয়ার সময় পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞেস করে সে নজরুল কিনা। এরপর তাকে ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু কী অপরাধে তাকে ধরে নিয়ে গেছে- সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি।’
তিনি বলেন, ‘নজরুল বিবাহিত ছিল না। আমরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর শুনছি যে তাকে অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য এই সাজা দিয়েছে। কিন্তু ওই মেয়েকে আমরা চিনি না। নজরুলও কখনো ওই মেয়ের কথা আমাদের বলেনি। যদি ওই মেয়েকে সে বিয়ে করত, তাহলে আমরা অবশ্যই জানতাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে তো আরবি ভাষাই বুঝে না। ও তো বোঝাতে পারেনি যে ও নির্দোষ। সৌদিতে বাংলাদেশের দূতাবাসও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আমরাও বুঝতে পারিনি কীভাবে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে।’
রহিমা বেগম আরও বলেন, ‘আমরা মনে করেছিলাম তিন বছরের বেশি হয়ে গেছে জেলে আছে। হয়তো পাঁচ বছরের সাজা হয়েছে। পাঁচ বছর পরে ছেড়ে দেবে। আমি তো জানি না যে, আমার ছেলে আমার বুকটা খালি করে চলে যাবে। আমি এখন আমার ছেলের লাশটা চাই। শেষবার আমার ছেলেকে ছুঁয়ে দেখতে চাই।’
উল্লেখ্য, সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে একটি মসজিদ কম্পাউন্ডে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে গত ১৪ অক্টোবর নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের শিরশ্ছেদ করা হয়। নজরুলের শিরশ্ছেদের খবর পাওয়ার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ১৪ অক্টোবর রাতেই তার ফুফু আবেদা বেগম মারা যান।
আরও পড়ুন
সোনারগাঁয় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
নিহত জহির ফকির। ছবি: খবরের কাগজ
-->নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলায় জহির ফকির নামের এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলা চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় তাকে কুপিয়ে ফেলে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবদল নেতা আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে ও একই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।
আরও পড়ুন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথে অন্তত ১৫-২০ জনের একটি দল সংঘবদ্ধ হয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, কালাপাহাড়িয়া এলাকার মুবারক নামের এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার মামার দ্বন্দ্ব ছিল। কালাপাহাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকায় মুবারক পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তিনি, তার মামার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির যুবদলের ত্যাগী নেতা ছিল। তার বাসা কালাপাহাড়িয়া হলেও সে মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতো। হঠাৎ খবর পেলাম ১৫-২০ জনের কোনো একটা গ্রুপ তাকে হত্যা করেছে। ছেলেটা প্রায় সময় আমাকে বলতো যে তাকে মেরে ফেলবে। কিন্তু কে বা কার সঙ্গে ওর দ্বন্দ্ব ছিল তা নিশ্চিত হতে পারিনি। কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি এমন খবরে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও হত্যার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে পুলিশ তদন্ত করছে।
ইমরান হোসেন/অন্তরা/
আরও পড়ুন
মাধবদীতে ডাইং মিলে বয়লার বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ড, দগ্ধ ২
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৩ এএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নরসিংদীর মাধবদীতে একটি ডাইং মিলে বয়লার বিকল হয়ে অগ্নিকাণ্ডে দুই টেকনিশিয়ান দগ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
প্রথমে মাধবদী বাজার ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. রায়হানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলে। পরে তাদের সঙ্গে সদর থেকে আরও ইউনিট যোগ দেন।
আরও পড়ুন
নরসিংদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক শিমুল মো. রফি (পিএফএম) জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আমারা আসার আগেই এ ঘটনায় দগ্ধ দুই টেকনিশিয়ানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘বুধবার বিকেলে মিলটির বয়লার বিকল হয়ে যায়। পরে মিলের মালিক ইকবাল হোসেন নিজের টেকনিশিয়ানদের ডেকে নিয়ে সেটি মেরামতের করানোর চেষ্টা করেন। এ সময় বিকট শব্দে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ১০ থেকে ১২ জন আহত হন বলে দাবি তাদের। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে টেকনিশিয়ান ফয়সাল আহমেদ ও রুবেল মিয়া বেশি দগ্ধ হয়েছেন।’
আগুনে দগ্ধ প্রত্যক্ষদর্শী রাজু আহম্মেদ জানান, বিকেল পাঁচটার দিকে বয়লারে লিকেজ দেখা দিলে তিনি পাশের মিল থেকে আগুন নেভানোর কাজে এগিয়ে যান। এ সময় সেখানে মিলের মালিক ইকবাল হোসেনও ছিলেন। আগুনের লেলিহান শিখায় তিনিও আহত হন ।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীরা।
নরসিংদী জেলা বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, ‘শিল্পাঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। মিলমালিকদের সচেতন করার চেষ্টা করেও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। মাধবদী শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদও দূষণে ভরপুর। অথচ অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন নেভাতে এ নদীর পানিই ব্যবহার করতে হচ্ছে। মাধবদী শিল্পাঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।’
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ উৎসুক জনতাকে নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। অগ্নিকাণ্ডে আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।’
শাওন খন্দকার/অলি/
আরও পড়ুন
চুয়াডাঙ্গায় ৩ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, গ্রেপ্তার ২
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪০ টাকা মূল্যের ভারতীয় প্রসাধনী ও ক্রিমসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে আব্দুল আহাদ ট্রেডার্স নামের একটি দোকানের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- দর্শনা থানার সদাবরী পশ্চিমপাড়ার জহিরুল হক (৪০) ও সদাবরী মাদরাসাপাড়ার আসানুর হক (৩৫)।
আরও পড়ুন
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা বাজারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তার দুজনের হেফাজত থেকে ভারতীয় ১৭৬টি পন্ডস ব্রাইট বিউটি ফেসওয়াশ, ১ হাজার ১০৩টি নিভিয়া সফট ক্রিম এবং ৬৮০টি ক্লোবেটাসল প্রোপিওনেট ও জেন্টামাইসিন সালফেটযুক্ত ক্রিম জব্দ করা হয়
জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪০ টাকা। এ ছাড়া জব্দ করা দুটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানের মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জব্দ করা পণ্য ও যানবাহনের আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪০ টাকা।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার জানান, জব্দ করা পণ্য ও যানবাহন জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
মিজানুর রহমান/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
রাঙ্গুনিয়ায় মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->রাঙ্গুনিয়ায় কোদালা বনবিটে বিনা নোটিশে ঘরবাড়ি উচ্ছেদের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে চন্দ্রঘোনা-কদমতলি ইউনিয়নের উত্তর বনগ্রাম কলাবাইজ্যাঘোনায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী মো. ইলিয়াস সিকদার, লিচুবাগান সিএনজিচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সোলাইমান, চন্দ্রঘোনা নয় নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আহমদুল হক, গ্রাম সর্দার মোহাম্মদ জগলু, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মো. ফোরকান, যুবদল নেতা সোহেল, আয়েশা বেগম প্রমুখ।
আরও পড়ুন
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘উচ্ছেদ অভিযানে ঘরবাড়ি হারানোর অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।’
মানববন্ধনের ব্যানারে স্লোগান ছিল, ‘অধিকার আদায়ে আমরা সবাই একসঙ্গে।’
মানববন্ধনে আরও বলা হয়, ‘আমাদের দাবি ন্যায়বিচার, হয়রানি নয়।’
আয়োজকরা উচ্ছেদের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
মুহাম্মদ তৈয়্যবুল ইসলাম/তামান্না রুপা/
