বাঁশখালীতে বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সরকারি পুকুরে সেচ পাম্প দিয়ে ও বড়শি দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানজীদুর রহমান তন্ময়।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সরকারি পুকুরে সেচ পাম্প দিয়ে ও বড়শি দিয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য দেলোয়ার আজিমের লোকজন মাছ ধরার খবর স্থানীয় জনগণ বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীনের কাছে পৌঁছালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানজীদুর রহমান তন্ময়কে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। অভিযানকালে তিনি মাছ শিকারীদের কাছ থেকে মুচলেকা নেন।
ঘটনার ব্যাপারে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য দেলোয়ার আজিম সরকারি পুকুর থেকে মাছ ধরার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, মাছগুলো আমি টাকা দিয়ে কিনেছি। তাই অবৈধভাবে সরকারি পুকুরের মাছ ধরার প্রশ্নই আসে না। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল।
একটি সূত্রে জানা যায়, বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরটি এক বছরের জন্য দেলোয়ার আজিম লিজ নিলেও সেটার মেয়াদ শেষ হওয়াতে বর্তমানে পরিষদের আওতায় রয়েছে। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারি পুকুরের মাছ উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে। আইনি অনুমতি ছাড়া সরকারি পুকুরের মাছ লুটের এই চেষ্টা স্থানীয়দের সচেতনতা ও প্রশাসনের সময়োপযোগী পদক্ষেপে পণ্ড হলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
