পূজার ছুটিতে বেকুটিয়া সেতুতে দর্শনার্থীরা উপচে পড়া ভিড়

দুর্গোৎসবের ছুটিতে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার অন্যতম প্রধান দর্শনীয় স্থান কচা নদীর তীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শরতের কাশফুল ও বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবস্থিত ‘ডলফিন চত্বর’ এবং ব্রিজের ওপর থেকে নদীর রূপ উপভোগ করতে দর্শনার্থীরা উপচে পড়া ভিড়।
৫দিনের এই ছুটিতে প্রতিদিন বিকেল হতেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষের সমাগমে মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা কঁচা নদীর তীরে মনোরম বাতাস অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর (বেকুটিয়া সেতু) নান্দনিক দৃশ্য এবং নদীর বুকে ট্রলার ভ্রমণ দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। কাউখালী ছাড়াও পিরোজপুর সদর, ভান্ডারিয়া, নাজিরপুর, পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির রাজাপুরসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে সব বয়সী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন এবং বন্ধুদের নিয়ে এখানে ছুটে আসছেন।
নদীর তীরে বসা ছোটখাটো মেলা এবং হরেক রকমের খাবারের দোকান শিশু-কিশোরদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাজাপুর উপজেলা থেকে সপরিবারে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সমর জানান, পূজার টানা ছুটিতে পরিবারকে একটু সময় দিতে এখানে এসেছি। কঁচা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুর দৃশ্য সত্যিই মনোরম। নদীর পাড়ে কাশবন আর ট্রলারে ঘুরে বাচ্চারা খুব আনন্দ পেয়েছে।
ভান্ডারিয়া থেকে বন্ধুদের সাথে আসা কলেজ ছাত্রী দোলা বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় ডলফিন চত্বরের ছবি দেখে বন্ধুরা মিলে ঘুরতে এসেছি। এখানকার পরিবেশ দারুণ, বিশেষ করে সূর্যাস্তের সময় সেতুর দৃশ্যটা অসাধারণ লাগে। বেশ কিছু ভালো ছবিও তুলেছি।
পূজার ছুটিতে দর্শনার্থীদের এই উপচে পড়া ভিড় ও সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো আনোয়ার হোসেন, বলেন, বেকুটিয়া সেতু ও কঁচা নদীর তীরবর্তী এলাকাটি এখন এই অঞ্চলের একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। দর্শনার্থীরা যাতে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে তাদের ছুটি উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি রাখা হচ্ছে।
এই বিভাগের আরো খবর






