ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞনেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত রাজধানী। একদিকে যেমন বিক্ষোভে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), তেমনই প্রতিবাদ কর্মসূচি করছে ‘ইন্ডি’ জোট। এই আবহেই প্রায় ১০০টি সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল দিল্লি পুলিশ।
দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ চলাকালীন ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে উসকানিমূলক পোস্ট করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ছড়ানো হয়েছিল একাধিক ভুয়ো খবর এবং ভিডিও। পাশাপাশি, এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে দিল্লি পুলিশ বারবার অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যদিকে, বিক্ষোভ আবহে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) ২৭৩ কোম্পানি মোতায়েনের মেয়াদ ২০ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করারও আবেদন জানিয়েছে তারা। জানা গিয়েছে, শীঘ্রই রাজধানীতে আসতে চলেছে আরও ২৮০০ জওয়ান।
এদিকে সোমবারই ককরোচ জনতা পার্টির তরফ থেকে দিল্লি পুলিশকে আলটিমেটাম বেঁধে দেওয়া হয়। জানানো হয়, ২৪ ঘন্টার মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানিয়ে দিতে হবে। তা না হলে বড়সড় পদক্ষেপ করা হবে। পালটা দিল্লি পুলিশের ঘোষণা, যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। তিনটি বিকল্প স্থানের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। তার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত স্থান রামলালা ময়দান। কিন্তু সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই ময়দান বুক করতে গেলে ১.২১ লক্ষ টাকা খরচ। চলতি বছরের বুকিং ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে বলেই খবর।
স্বভাবতই গোটা বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ‘ককরোচ’রা। নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তর থেকেই প্রতিবাদ শুরু করেছিলেন তাঁরা। ‘আরশোলা’ নেতা অভিজিতের কথায়, “যদি যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দেওয়া হয় তাহলে গোটা দেশ যন্তর মন্তরের মতো প্রতিবাদস্থলে পরিণত হবে।”
